শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে হেলিকপ্টারে বাড়ি ফিরলেন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ জুলাই, ২০২২, ১২:৩২ পিএম
ফরিদগঞ্জে হেলিকপ্টারে বাড়ি ফিরলেন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও পরিবার

এস এম ইকবাল : পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মালেয়শিয়ায় বাংলাদেশী প্রবাসী ব্যবসায়ী সুমন বেপারী মালেয়শিয়ান স্ত্রী এবং সন্তান নিয়ে হেলিকপ্টার নিয়ে বাড়ি এলেন।

৮ জুলাই শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুমন দম্পতিকে বহনকারী হেলিকাপ্টারটি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ এ আর মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অবতরণ করেন। এর আগে সকাল ৬টায় তারা মালেশিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে তারা। সুমন বেপারীর বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা গ্রামে।

জানা গেছে, চির্কা গ্রামের মজিবুল হক বেপারীর ছেলে সুমন ২০০৭ সালে মালেয়শিয়া যায়। ৯ বছর পুর্বে তার সাথে নুর ইনা লিজার পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে প্রনয় ঘটে উভয়ের মধ্যে। বর্তমানে এই দম্পত্তির ঘরে সুফিয়া সাফরিনা (৮), আরাফাত (৪) এবং আড়াই বছরের আরমান নামে তিনটি সন্ত্মান রয়েছে। পবিত্র ঈদুল আযহায় মা, বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে দেখা করতে এবং ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে স্বস্ত্রীক তিনি বাংলাদেশে আসেন। শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন। পরে একটি বেসরকারি হেলিকপ্টার যোগে ফরিদগঞ্জে আসেন।

হেলিকপ্টার থেকে নামার পর সুমন বেপারীর মা ফাতেমা বেগম, বোন সালমা বেগম, হোসনেয়ারা বেগম ও নিকটাত্মীয় ফারুক পাটওয়ারীসহ পরিবারের সদস্যরা তাদের ফুল দিয়ে বরণে করেন।

Model Hospital

সুমন বেপারী জানান, ঈদের সময় সড়কগুলো ব্যস্ত্ম থাকে। তাই ঝামেলা এড়াতে তিনি স্ত্রী ও সন্তনদের নিয়ে হেলিকপ্টার যোগে বাড়ি এসেছেন।

মা ফাতেমা বেগম ছেলে ও পুত্রবধু ও নাতি নাতনিদের কাছে পেয়ে আবেগ আপস্নুত হয়ে পড়েন। এসময় তিনি বলেন, আমার ছেলে সুমন এক সময় কষ্ট করেছে সেই দেশে। বর্তমানে তারা সুখে রয়েছে।

বোন সালমা বেগম বলেন, আজ আমাদের আনন্দের দিন। আমাদের আদরের ভাই স্ত্রী সন্তনসহ আমাদের সাথে ঈদ করতে বাড়ি এসেছে।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।