বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি ও শরীর ব্যাথা : করোনা পরীক্ষায় অনিহা রোগীদের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০২২, ৩:৩৬ পিএম
চাঁদপুরে ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি ও শরীর ব্যাথা : করোনা পরীক্ষায় অনিহা রোগীদের
মাসুদ হোসেন : চাঁদপুরের প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে জ্বর-সর্দি-কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সেই সাথে রয়েছে ডায়রিয়াও। তবে জ্বর নিয়ে ভীতি থাকলেও করোনা পরীক্ষা নিয়ে তেমন আগ্রহ নেই মানুষের। গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড গরম এবং কোরবানে মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার কারণেই ডায়রিয়া রোগী বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা। তবে করোনা মহামারিতে এই সময়ে যে কারণেই সর্দি-কাশি-জ্বর ও ডায়রিয়া দেখা দিক না কেন, অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, এবারের জ্বরে অন্যান্য বারের তুলনায় ভিন্ন লক্ষণ দেখা দিয়েছে। অন্যান্য সময়ে জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি ছিল। এবার ওইসব লক্ষণের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিরা শরীরে ব্যথা অনুভব করছেন। একবার শুরু হলে জ্বর থাকছে দীর্ঘ সময়। এসব রোগে সমানে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরাও। আক্রান্তদের সিংহভাগ গ্রামের পল্লী চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জেলার বেশিরভাগ বাড়িতেই কেউ না কেউ জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত। তাদের বেশিরভাগই বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খাচ্ছেন। এভাবে অনেকে সুস্থ হয়েও উঠছেন।
আবার কেউ কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়েও চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে করোনা টেস্ট করার ব্যাপারে আগ্রহ খুব কম মানুষেরই লক্ষ্য করা গেছে।
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত চিকিৎসকরা জানান, তাদের কাছে আসা বেশিরভাগ রোগী জ্বর-সর্দি আর শরীর ব্যাথা নিয়ে আসছে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও জ্বরের রোগী বেড়েছে। জ্বর, কাঁশি ও গলা ব্যথায় দুদিনের বেশি সময় ধরে যারা আক্রান্ত রয়েছেন তাদের দ্রুত করোনা স্যাম্পল দিতে পরামর্শ দেন তারা। অথচ প্রতিদিনই জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছেই।
২৫০ শয্যা চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাজেদা বেগম পলিন বলেন, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কিংবা প্রাইভেট চেম্বারে জ্বর-সর্দি-কাশি ও ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত রোগী বেড়েছে।
এসব উপসর্গের করোনার সাথে মিল রয়েছে। কিন্তু এসব উপসর্গে আক্রান্ত অধিকাংশ মানুষ এখন নমুনা দিয়ে করোনা পরীক্ষা করাচ্ছে না। মূলত হোম কোয়ারেন্টাইন ও হোম আইসোলেশনে থাকার ভয়ে লোকজন এখন টেস্ট করাতে চাচ্ছে না। জ্বরসহ অন্যান্য উপসর্গে আক্রান্ত লোকজন করোনা টেস্ট করালে প্রকৃত তথ্য পাওয়া যেত। জানা যেত করোনায় আক্রান্তের প্রকৃত অবস্থা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital