বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ভোটাদের কাছে জনপ্রিয় প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৬:১১ পিএম
জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ভোটাদের কাছে জনপ্রিয় প্রার্থী মনিরুজ্জামান মানিক

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করার পর থেকেই ভোটার, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনগনের মাঝে বেশ জনপ্রিয় প্রার্থী হয়ে উঠেছেন মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ও জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক।

জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর থেকেই চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্ধারিত ওয়ার্ডে নির্বাচনে প্রার্থীতা করার ব্যাপারে ভোটারদের মুখে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিকের নাম শোনা যাচ্ছিলো।তিনি বিগত দিনে মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে সদর উপজেলার ভোটার ও জনগনের কাছে বেশ পরিচিত, মার্জিত ও জনবান্ধন জনপ্রতিনিধি হিসাবে পরিচিতি অর্জন করেন।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক প্রার্থী হিসাবে গতকাল ৮ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেন।তার মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের খবর পেয়ে আনন্দ প্রকাশ একাধিক ভোটার বলেন আমরা চাই তিনি সদর উপজেলা থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে।আমরা যারা সচেতন জনপ্রতিনিধিরা রয়েছি, তারা তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন করবে।কারন এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার তাদের প্রত্যক্ষ ভোটেই যোগ্য জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত করবে।আর সেই হিসাবে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক অন্য প্রার্থীদের থেকে বেশ জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের ব্যাক্তি।আমরা মনে করি তিনি নির্বাচিত হলে আমাদের সদর উপজেলার ওয়ার্ডটি একটি মডেল ওয়ার্ড হিসাবে রুপান্তরিত করবে।তাই আমরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিকের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন ও প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন এবাবের জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্মানিত ভোটার ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আবদারেই প্রার্থী হয়েছি।বিগত দিনে জনপ্রতিনিধি থাকা কালীন সময়ে দল ও মতের উর্ধে থেকে সরকারের উন্নয়ন কাজ সঠিক ভাবে বাস্তবায়নের চেস্টা করেছি।তার ফসল স্বরুপ জেলার শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি।এই অর্জন আমার একার না।এটা ছিলো আমার ইউনিয়ন তথা উপজেলা বাসীর।এছাড়াও জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের কল্যানে কাজ করার মাঝে একটা আনন্দ থাকে।সাধারণ মানুষের প্রতি নিজের একটা দায়বদ্ধতা কাজ করে।তাই এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদর উপজেলা থেকে প্রার্থী হয়েছি উপজেলা বাসীর সাথে মিলেমিসে উন্নয়ন কাজ করার জন্য।এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে গঠিত সদর ওয়ার্ডটিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন সদর উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন, সদর উপজেলা পরিষদ ও চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচিত সকল সম্মানিত জনপ্রতিনিরা।

Model Hospital

আমি আশাবাদি সম্মানিত ভোটার ভাই-বোনদের প্রত্যক্ষ ভোটে আমি নির্বাচিত হয়ে তাদেরকে সাথে নিয়ে একসাথে সকল উন্নয়ন কাজের অংশীদার হবো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital