রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২২, ২:৫৩ পিএম
ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভা
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাড. হুমায়ুন কবির সুমন বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা শোষিতদের নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার মেধা, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে পরিচিত করেছে এক সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে। তার প্রতিটি চিন্তায় দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, এটিই তার ধ্যান-জ্ঞান। বঙ্গবন্ধু যেমন আজীবন শোষিত-বঞ্চিত মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। ঠিক একইভাবে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ নিজেকে বিশ্বের শোষিত-বঞ্চিত মানুষের নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমন একজন প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব বার বার এদেশে প্রয়োজন, এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতৃত্বের বিকল্প নেই।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে সাংগঠনিক কার্যাক্রমকে সুসংগঠিত ও আরো গতিশীল করতে ১১ নং ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের অস্থায়ী কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অংশ গ্রহনে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১নং ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, যুবলীগই ছিল শেখ হাসিনার একমাত্র ভ্যানগার্ড এবং এই যুবলীগই সার্বক্ষণিক শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছে। প্রত্যেকটি আন্দোলন সফল করতে যুবলীগের ত্যাগ-তিতিক্ষা ছিল অপরিসীম। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ। যুবলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নিজেদের মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা দিয়ে আমাদের নেত্রীর এগিয়ে যাওয়ার পথকে মসৃণ করবে, এটাই আমার বিশ্বাস। সেই লক্ষ্য নিয়েই যুবলীগ কাজ করে যাচ্ছে।
বর্ধিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শিমুল হাসান সামনু, যুগ্ম আহবায়ক তাজুল ইসলাম মিয়াজী।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইব্রাহীমপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কাশেম খান, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের সদস্য আব্দুল মালেক চৌধুরী, সদর উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর কবির কিশোর, আবুল হাসনাত নয়ন গাজী, পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোঃ হোসেন গাজী প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আহসান পাটওয়ারী, তরপুচন্ডী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মনির হোসেন শেখ, কল্যাণপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক সুমন হাওলাদার, বি এম জসিম উদ্দিন, চাঁদপুর পৌর যুবলীগের সদস্য মোঃ স্বপন পাটওয়ারী, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান, ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য আমিনুল ইসলাম মিজি, রিয়াদ মাহমুদ, হাফিজ পাটওয়ারীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ শাহ আলম দেওয়ান, পরিচালনা করেন যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান ছিডু।

কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম
কার আশ্রয় আর প্রশ্রয়ে মামলা থাকার পরেও গ্রেফতার হচ্ছেনা রাব্বি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রামে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ রাতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে তর্ক-বিতর্ককে কেন্দ্র করে বাড়ী ফেরার পথে মোল্লাডহর গ্রামের বেপরী বাড়ীর চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তৎকালীন সময়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী রাহেম আলীর ছেলে রাব্বি (২০), মৃত কালা মিয়ার ছেলে মো. রাহেম আলী (৪০), আলী মিয়ার ছেলে মো. শাখাওয়াত হোসেন (২৮), মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে সুমন (৩৫), সাফায়েত মিয়ার ছেলে শেখ ফরিদ (৩৫)সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রাতের অন্ধকারে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একই গ্রামের হাজী জবেদ উল্যার ছেলে আলমগীর সরদার (৩২), ওসমান মিয়ার ছেলে মো. সাদেক মিয়া (৩৫), আবুল কালামের ছেলে ওমর ফারুক (২০) এর উপর হামলা দেশীয় অস্ত্র চালায়।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলমগীর সরদার ও ওমর ফারুক’কে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়, সেখানে কয়েকজনের শারীরীক অবস্থার অবনতি ঘটলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পওে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়।

এ ঘটনায় ২০২১ সালের ১ এপ্রিল মীর হোসেন প্রকাশ জাহাঙ্গীর আলম সরদার বাদী হয়ে ৫জনের নাম উল্লেখ্য পূর্বক অজ্ঞাত নামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং জিআর ১০৮, তারিখ ১ এপ্রিল ২০২১।

আসামীরা সরকারের অনুসারী হওয়ায় ওই ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে পুলিশ মামলার ২নং আসামী শাখাওয়াত হোসেনকে আটক করে অপর আসামী সুমন ৩০/৫/২০২১ সালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনে বের হয়ে আসে।

Model Hospital

রাহেম আলী ৬নং বড়কুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমানের চাচা ও ও সন্ত্রাসী রাব্বি চাচাতো ভাই হওয়ায় চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় তারা রাতের অন্ধকারে দুবাই চলে যায়। ৬ বছর পর সন্ত্রাসীরা আবারো দেশে ফিরে। পরবর্তী ইউপি চেয়ারম্যান মজিবুর রহমানের সহযোগিতায় রাহেম আলী জামিনে আসে বলেন অভিযোগ করেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী আরো জানান, কয়েক দিন পূর্বে সন্ত্রাসী রাব্বিও গোপনে দেশে এসেছে বলে জানাযায়। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান তার জামিনের চেস্টা করছে বলে অভিযোগ করে বাদী। রাব্বি কখনো ঢাকা ও কখনো হাজীগঞ্জে এসে রাত্রি যাপন করছে। সন্ত্রাসী রাব্বিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানান তিনি।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান জানান, রাব্বি যদি দেশে থাকে এবং তার বিরুদ্ধে যদি ওয়ারেন্ট থাকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করবে। এ জন্য বাদী পক্ষ আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।

বাদী জাহাঙ্গীর আলম মীরু জানান, কেউ যদি হাজীগঞ্জ থানাকে সন্ত্রাসী রাব্বির সন্ধান দিতে পাওে তাকে উপযুক্ত পুরস্কার প্রদান করা হবে।