শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে ১৫শ’ প্রতিযোগির অংশগ্রহনে শুরু হচ্ছে ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ স্মারক জাতীয় বিতর্ক উৎসব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০২২, ১২:৪৩ পিএম
চাঁদপুরে ১৫শ’ প্রতিযোগির অংশগ্রহনে শুরু হচ্ছে ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ স্মারক জাতীয় বিতর্ক উৎসব

নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘শুদ্ধ চিন্তা মুক্ত থাকুক যুক্তির আশ্রয়ে’ এই স্লোগানে দেড় হাজার বিতার্কিকদের অংশগ্রহনে চাঁদপুরে আগামী ১৩ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে ৩দিনব্যাপী ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক জাতীয় বিতর্ক উৎসব। উৎসব চলবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত।

সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে এ উপলক্ষে চাঁদপুর সরকারি কলেজ এর সম্মেলন কক্ষে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসব সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ননা তুলে ধরেন ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ স্মারক জাতীয় বিতর্ক উৎসবের চেয়ারম্যান সাব্বির আজম।

তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ের এই বিতর্ক উৎসবে প্রায় ১৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করবে। এর মধ্যে বিশ^বিদ্যালয় রয়েছে ৩২টি। বিতার্কিকদের সাথে শিক্ষকসহ সবমিলিয়ে প্রায় সড়ে ৭ হাজার লোকের সমাগম হবে। দেশ বরেণ্য গুণী ব্যাক্তিবর্গ আয়োজনে অতিথি হিসেবে আসবেন। এত বড় একটি আয়োজন সফল করার জন্য গনমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আয়োজন চাঁদপুর শহরে হলেও আমরা চাই এই উৎসবে নতুন একটা মাত্রা যোগ হবে।

Model Hospital

সাব্বির বলেন, সারাদেশ থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অনেক গুনি ব্যাক্তি উৎসবকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরে আসবেন। এতে আমাদের জেলার ব্র্যন্ডিংও হবে। এ ক্ষেত্রে আগতদেরকে আমাদের সকলের অবস্থান থেকে সহযোগিতা করতে হবে। কারণ আগত অতিথি ও অংশগ্রহনকারী বিতার্কিকরা বিভিন্নভাবে ‘ইলিশের বাড়ী চাঁদপুর’ কে তুলে ধরবে। একই সাথে জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ চাঁদপুর সরকারি কলেজও পরিচিতি পাবে। এছাড়াও এই উৎসবে আমরা দুইজন গুনী ব্যাক্তিকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করব।

চাঁদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক কিউএম হাসান শাহরিয়ার এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. অসিত বরণ দাশ।

তিনি বলেন, এই বিতর্ক উৎসবের আয়োজক সিডিএম চাঁদপুর সরকারি কলেজেরই একটি সংগঠন। আয়োজন হচ্ছে এই কলেজে। যে কারণে আমাদের বড় ধরণের অংশগ্রহন রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের এই অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। গনমাধ্যমের সহযোগিতায় আমাদের দীর্ঘ পথ চলা। চাঁদপুরকে এগিয়ে নিতে আমরা সকলে অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করব।

আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস মিলন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌস, সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী, রহিম বাদশা ও এএইচ এম আহসান উল্লাহ।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, চাঁদপুর সদর আসনের সাংসদ শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি’র পিতা মরহুম ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি ছিলেন। তিনি কতটা গুরুত্বূর্ণ, সৎ ও মহান ব্যাক্তি যা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বইতে লিখেছেন। তিনি চাঁদপুরের কৃতি সন্তান। যে কারণে আমাদের কাছে এই বিতর্ক উৎসব আরো গুরুত্ব বহন করে।

এতে জাতীয় গনমাধ্যম, স্থানীয় দৈনিকের সম্পাদক ও বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।