বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরামের নবান্ন উৎসবে বক্তারা ‘নবান্ন আমাদের শেকড়ে নিয়ে যায়’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২, ১:৪৩ পিএম
ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরামের নবান্ন উৎসবে বক্তারা ‘নবান্ন আমাদের শেকড়ে নিয়ে যায়’

এস এম ইকবাল : একটি দিনের জন্য হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার শতবছরের ঐতিহ্যে। ধান কাটা, পিঠা- পায়েস, হারিয়ে যাওয়া খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মগ্ন ছিলো ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরামের সদস্য ও স্থানীয়রা। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও অনুষ্ঠিত হলো ফরিদগঞ্জ লেখক ফোরামের ‘নবান্ন উৎসব- ১৪২৯’।

১০ ডিসেম্বর শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে অনুষ্ঠান। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভাটিয়ালপুর এলাকায় কৃষকের মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নূরুল ইসলাম ফরহাদ’র সভাপতিত্বে, নবান্ন উৎসবের আহবায়ক ও নির্বাহী কমিটির অর্থ সম্পাদক তারেকুর রহমান তারুর মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় দুপুর থেকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট সমাজ সেবক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহম্মেদ ভূঁইয়া বলেন,‘কৃষি প্রধান এ দেশে আবহমান কাল ধরে উদযাপিত হয়ে আসছে লোকজ উৎসব ‘নবান্ন’। অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকের ঘরে তোলা হয় নতুন ধান, সেই আনন্দে নতুন ধানের তৈরি পিঠা ও অনান্য লোকজ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে এই উৎসবটি উদযাপিত হয়ে আসছে। নবান্ন উৎসব আমাদেরকে শেকড়ে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

Model Hospital

নগরায়নের কারণে আমরা সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত। ছোটদের গোল্লাছুট, হা-ডু-ডু খেলা দেখে আমি আমার শৈশবে চলে গেছি। আহ্ কী মধুর সময় ছিলো ঐ দিন গুলো। খুব মিস করি। আমি হা-ডু-ডু খেলা হায়ারে খেলতে যেতমা। এই নয়াহাটেও আমাকে নিয়ে আসতো। খেলাটি খুব ভালো পারতাম আমি। লেখক ফোরামকে ধন্যবাদ আমাকে সুখ স্মৃতি রোমন্থন করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। সংগঠনটি এরকম আরো আয়োজন করুক, আমি তাদের সাথে আছি।’

ধান কাটার পর গ্রাম বাংলার হারানো খেলাগুলো একের পর পর এক অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে- গোল্লা ছুট, হা-ডু-ডু, চেয়ার বদল, সাতচাঁড়া। ‘আমার মাইজা ভাই সাইজা ভাই কই গেলা-রে’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন লিখক সরকার ও রুপা সরকার। গান এবং নৃত্যের পর উপস্থিত সবাইকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় কুইজ প্রতিযোগীতা। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোস্তফা কামাল মুকুল। অন্যাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি কে এম নজরুল ইসলাম, ফাতেমা আক্তার শিল্পী, সাবেক সভাপতি মহসিন হাসান শুভ্র, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো.সাহেদ, কবি পাভেল আল ইমরান, সমাজকর্মী রাবেয়া আক্তার, নবান্ন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব মেহেরাজ হাসান সৌরাভ প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital