শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহতলী জিলানী চিশতী উবিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩, ২:৪৭ পিএম
শাহতলী জিলানী চিশতী উবিতে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ
স্টাফ রির্পোটারঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শাহতলী জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সোহেল রুশদী’র ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ উদ্বোধন করা হয়েছে।
১৭জানুয়ারী (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেল চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: কামাল হোসেন।
প্রধান অতিথি চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: কামাল হোসেন বক্তব্যে বলেন, আজকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিজস্ব অর্থায়নে স্কুল ড্রেস দিচ্ছে এটি একটি মহতী উদ্যোগ। আমি এজন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সোহেল রুশদী কে ধন্যবাদ জানাই। প্রতিটি কাজে তোমাদের মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। তাহলে কাজে সফলতা পাওয়া যাবে। মনোযোগ ছাড়া কাজ করলে কোন কাজে সফলতা আসেনা। সকলকে আইসিটিতে দক্ষ হতে হবে। বর্তমানে সর্বক্ষেত্রে আইসিটির ব্যবহার হচ্ছে। আইসিটির বিকল্প নেই। তাই সকলেরই কম্পিউটার শিখতে হবে।
তিনি বলেন, তোমাদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে হবে এবং স্কুল ড্রেস পড়ে আসতে হবে। স্কুল ড্রেস একজন শিক্ষার্থীকে আইডেন্টিফাই করতে পারে। যারা মাষ্টার ট্রেইনার তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নতুন কারিকুলামের উপর ট্রেনিং করাতে হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে সকলকে কাজ করতে হবে। কাজ করা বা শিখা খুব কঠিন, আবার খুব সহজ। প্রত্যেক মানুষই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শিখতে হয়।
বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা ফাহিমা জাহানের পরিচালনায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী বক্তব্যে বলেন, আজকে আমার পক্ষ থেকে ও স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতায় তোমাদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করছি। প্রতি বছরই আমার পক্ষ থেকে ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দিয়ে আসছি। এটা নিয়মিত পড়ে স্কুলে আসতে হবে, যত্ন করে রাখতে হবে। স্কুল ড্রেস পড়লে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তা নির্ধারন করতে সুবিধা হয়। অন্য কোন শ্রেনির কোন গরীব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের যদি স্কুল ড্রেস না থাকে, তাদেরও ড্রেস দিবো। স্কুল ড্রেস পড়ে বিদ্যালয়ে আসলে সকলে চিনে। আজকে তোমাদের  অতিথি সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: কামাল হোসেন একজন আইসিটিতে দক্ষ একজন শিক্ষা অফিসার, তিনি সবসময় শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, এ বিদ্যালয় শিক্ষার মান অনেক ভালো। পাবলিক পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় সাফল্যজনক ফলাফল অর্জন করেছে। শতভাগ পাসসহ ৬জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তোমাদের এ সাফল্য ধরে রাখতে হবে। এ বিদ্যালয় একটি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব অনুমোদন হয়েছে। এখানে প্রায় ৩৫টা ল্যাবটপ আসবে। সেখানে তোমরা কম্পিউটার শিখতে পারবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করছেন। তাই তোমাদেরও আইসিটিতে দক্ষ হয়ে সমাজের কাজ করতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হবে। তোমরা প্রতিষ্ঠানের প্রান, তাই তোমাদের ভালো মনের মানুষ হতে হবে। বাবা-মা কে সম্মান করতে হবে, শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করতে হবে। নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে। বিনামূল্যে প্রথম শ্রেনি থেকে ১০ম শ্রেনি থেকে বছরের প্রথমেই বই দিচ্ছে। বিশ্বের কোন দেশে এভাবে বিনামূল্যে বই দেওয়া হয় না। এটি প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী প্রদক্ষেপ। তাই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই যত্ন করে রাখতে হবে। সরকার অত্র এলাকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মান করে দিয়েছেন। আমরাও আমাদের এ প্রতিষ্ঠানসহ সকল প্রতিষ্ঠানে ৪তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন পেয়েছি। এজন্য আমি আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন।
এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণ করেন প্রধান অতিথি হিসেবে চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: কামাল হোসেন এবং বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীসহ অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, জিলানী চিশতী কলেজের অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদ, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস, উপজেলা বিআরডিবির সাবেক কর্মকর্তা মো: সোলাইমান মুন্সি, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: শাহাদাত হোসেন, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তার, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজি, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো: আবুল কাশেম কারী।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শাহতলী কামিল মাদরাসার সহকারি শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হালিম গাজী, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেম্বার মোঃ সফিক কারী, ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো: মজিব কারী, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষিকা রাবেয়া আক্তার, সহকারি শিক্ষক লুৎফুর রহমান, সহকারি শিক্ষক বিপুল চন্দ্র নন্দী, সহকারি শিক্ষক মো: সাইফুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক মো: গিয়াসউদ্দিন, সহকারি শিক্ষক মো: রবিউল আউয়াল খান, কম্পিউটার অপারেটর মো: মোস্তফা কামাল, জিলানী চিশতী কলেজ অফিস ইনচার্জ মো: রানা সরকার সহ অন্যান্যরা।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’