বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী কায়দায় জোর পূর্বক ঘর নির্মাণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৩, ১:১৬ পিএম
ফরিদগঞ্জে রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী কায়দায় জোর পূর্বক ঘর নির্মাণ

এস এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জে সন্ত্রাসী কায়দায় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র সহ জোর পূর্বক ভাবে রাতের আধারে জমি দখলের জন্য ঘর নির্মান। এই ঘটনায় এলাকা জুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ২০০১ সালে এই জমির বাউন্ডারী দেওয়াল নির্মান কার হয়েছে। দেওয়াল নির্মান করার সময় কোন ধরনেন বাঁধা বা জমি পাওনার দাবী না করে দীর্ঘ ২১ বছর পর জায়গা পাবে বলে সন্ত্রাসী কায়দায় দেওয়াল ভেঙ্গে দেয়। যা বিচারাদিন আদালতে রয়েছে।

এ বিষয়ে যদি দ্রুত কোন সমাধান না হয়, তা হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংঙ্কা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

২১ জানুয়ারী শনিবার ভোর ৫ টায় উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিন ইউনিয়নের চৌমুখা গ্রামের মিজি বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটেছে ।
ঘটনার সূত্রে জানাযায়, র্দীঘদিন ধরে সেলিম মাষ্টার দের সাথে একই বাড়ির মনিরদের মাঝে এই জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এই নিয়ে উভয় পরিবারের আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। জমি দখল নিতে মরিয়া হয়ে আছে প্রবাসী মনির হোসেন। ভিবিন্ন ভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখল নিতে ব্যবহার করছে ভিবিন্ন প্রক্রিয়া। এমনটি জানিয়েছেন ভোক্তভুগি পরিবার।

জমির মালিক সেলিম মাষ্টার বলেন, এই জমি আমাদের ক্রয়কৃত জমি। আমাদের নামে খাজনা খারিজ রয়েছে। তারা আমাদের সাথে জামেলা সৃষ্টি করার জন্য কোন এক ওয়ারশদের কাছে থেকে একটি দলিল সৃষ্টি করে টাকার জোরে সন্ত্রাসী কায়দায় বার বার আমাদের জমি দখল নিতে হামলা চালায়। ভিবিন্ন ভাবে ক্ষয় ক্ষতি করে। শনিবার ফজর নামাজেরাতের আঁধারের পর পরে ভাড়াটিয়ে সন্ত্রাসী দিয়ে দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে আমাদের জমিতে ঘর নির্মান করে। আমারা বাঁধা দিতে গেলে অস্ত্র নিয়ে আসে মেরে পেলার জন্য। আমরা ভয়ে যেতে পারিনা। কোন উপায় না পেয়ে ৯৯৯ ফোন করে প্রানে রক্ষা হয়। আমাদের বাড়ির সাবেক মেম্বার বতু ও এলাকার সন্ত্রাসী তুহিনসহ ২০/২৫জন এসে এই হামলা করে এবং ঘর নির্মান করে।

Model Hospital

মনির হোসেন ও তার স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হামলাকারিদের সাবেক মেম্বার বতু মিয়া ও তুহিন বলেন, এই জমি মনির মিয়ার তার জমিতে আমরা ঘর নির্মান করতে গিয়েছি। তারা আমাদের উপরও তারা হামলা করেছে। রাতে গেলেন এমন প্রশ্নের জবাববে বলেন, রাতে না সকালে ফজরের পরে। অপর প্রশ্নের জবাবে তুহিন বলেন, মনির মিয়া আমাকে তার জমি দেখা শোনা করার জন্য লিখিত দিয়েছে। তাই আমি গিয়েছি।

ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, আমি সকালে শুনেছি রাতে নাকি সেলিম মাষ্টারদের জমিতে ঘর তুলেছে। পুলিশ এসে আমাকে ফোন দিয়েছিল। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখবো সমাধান করা যায় কিনা।

৯৯৯ ফোন পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এস.আই শফিকুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে বলেছি কোন প্রকার জামেলা না করার জন্য। যাতে করে আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ না হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।