ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমে আবারো কচুয়ার আল ফাতেহা মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী
নিজস্ব প্রতিনিধি : কচুয়ার বহুল আলোচিত জামায়াতপন্থী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় সংলগ্নে প্রতিষ্ঠিত আল ফাতেহা মাদ্রাসার ধংসাত্মক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে জামায়াত শিবিরের রাজনৈতিক মাঠ আবারো সরব হয়ে উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার দুপুরে মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে স্থানীয় অধিবাসী আনোয়ার হোসেনের ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর স্থাপনার নির্মাণ করে আসছে। স্থাপনার উত্তর পাশে নির্মিত ৭০ ফুট দৈর্ঘ্যর ও ৮ ফুটের উচ্চতা বিশিষ্ট দেয়াল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই এর নির্দেশে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে মুহুর্তের মধ্যে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।

এসময় আনোয়ার হোসেন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা আনোয়ার হোসেনের উপর ও চড়াও হয়। এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেন দৌড়িয়ে স্থান ত্যাগ করে জীবন রক্ষা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হাসান, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. ইবনে আল জায়েদ, কচুয়া পৌর মেয়র নাজমুল আলম স্বপন।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল জানান, আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পত্তির মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, পৌরসভার অনুমতি নিয়ে ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে দেয়াল নির্মাণ করেছি। এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই জানান, আনোয়ার হোসেন মাদ্রাসার জায়গায় দেয়াল নির্মাণ করেছে। তারপরেও দেয়াল ভাঙ্গার পক্ষে ছিলাম না। ছাত্ররা নিজেরাই ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল ভেঙে দিয়েছে।
পৌর মেয়র নাজমুল আলম স্বপন বলেন, পৌরসভার সার্ভেয়ার দিয়ে আনোয়ার হোসেনের ক্রয়কৃত জায়গার সীমানা নির্ধারন করে আনোয়ার হোসেনকে স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, জোট সরকারের আমলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা সহ আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় ভাংচুর ও সুলতানা ফিলিং স্টেশনে অগ্নিসংযোগ করে। ওই মামলায় প্রতিষ্ঠানের সুপারকে আসামী করা হয়।








