বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দুইদিনেও উদ্ধার হয়নি মতলব উত্তরের মোহনপুর পর্যটনে নিখোঁজ হওয়া এক ছাত্রের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৪:৪৪ পিএম
দুইদিনেও উদ্ধার হয়নি মতলব উত্তরের মোহনপুর পর্যটনে নিখোঁজ হওয়া এক ছাত্রের

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর পাড়ে মোহনপুর পর্যটন লি. এর বীচ মেঘনা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে শাহরিয়ার ইশতিয়াক শামস (১৬) নামে ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। একই সাথে সুস্মিত সাহা (১৬) নিখোঁজ হয়। দুইদিনেও তার সন্ধান মেলেনি।

আগের সংবাদটি পড়ুন… মোহনপুর পর্যটনে পানিতে ডুবে ক্যামব্রিয়ান স্কুলের ১ ছাত্রের মৃত্যু : নিখোঁজ ১

গত ২৩ ফেব্রুয়ারী বেলা সাড়ে ১২ টায় এ ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে উদ্ধার অভিযান চালান। কিন্তু এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় অভিযোগ স্থাগিত করা হয়েছে।

চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক সাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসছি। নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধারে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুইদিন ব্যাপী রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ স্কুলছাত্র সুস্মিত সাহার সন্ধ্যান পাইনি। সেজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় অভিযোগ স্থাগিত করা হয়েছে।

Model Hospital

চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ম পরিচালক আবদুল্লাহ আল বাকী বলেন, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। কিন্তু নিখোঁজ ব্যক্তির কোন সন্ধ্যান পাইনি। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এদিক ওদিকও খোঁজ করা হয়েছে।

নিহত ও নিখোঁজ দুই ছাত্র ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ নারায়াণগঞ্জ শাখার দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারী নৌ ভ্রমনে মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর পর্যটনে আসেন। প্রায় ৭৫০ জন শিক্ষার্থী এসেছিলেন এই সফরে। কিন্তু ফিরতে পারলেন না দুই ছাত্র।

মোহনপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক বাবুল বালা বলেন, ওইদিন দুপুরে অনেক লোকজন ঘুরতে আসে মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রে। পর্যটন কেন্দ্রের পাশেই মেঘনা নদীতে সাঁতার দেয়ার জন্য একটি জোন তৈরি করেছে কর্তৃপক্ষ। সেখানে অনেক শিশু-কিশোর পানিতে নেমেছে। এর মধ্যে ২ জন পানিতে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ১ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও সুস্মিত সাহাকে উদ্ধার করতে পারেনি।

মোহনপুর পর্যটন লিঃ এর বীচ সিকিউরিটি ম্যানেজার সাদেকুর রহমান বলেন, আমরা সবসময়ই সতর্ক করে থাকি। সাঁতার না জানলে নদীতে নামতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজকেও তাদেরকে হ্যান্ডমাইক দিয়ে নদীতে নামার জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তারা সিকিউরিটি গার্ডদের সাথে দুব্যর্বহার করে নদীতে নেমেছে। তবে সামনে দিয়ে যাতে এধরণের দুর্ঘটনা না ঘটে সেদিকে জোড় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজের সমন্বয়কারী আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আমরা ছাত্রদেরকে পানিতে নামতে নিষেধ করেছি। চারদিন আগে থেকেই তাদেরকে বলা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ঘটনাটি ঘটে গেল। আমরা খুবই দুঃখিত।

এদিকে নিহত ও নিখোঁজ ছাত্রের অভিভাবক ও স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তারা দ্রুত নিখোঁজ সুস্মিত সাহাকে উদ্ধারের দাবী জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital