শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবি’র শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৫:৪৫ পিএম
উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবি’র শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে বিদায় সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের উত্তর শাহ্তলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবীন ধর্মীয় শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী’র অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ২৮ফেব্রুয়ারী (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

প্রধান অতিথি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী বক্তব্যে বলেন, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রফিক সাহেব একজন জনপ্রিয় শিক্ষক । আমার প্রানের প্রতিষ্ঠান শাহতলী জোবাইদা স্কুুল, তিনি এ স্কুলে জীবনের বেশি সময় কাটিয়েছেন। আমি ছোট থেকেই এ বিদ্যালয়ের পাশেই বড় হয়েছি। এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে, আমি ওখানেই পড়েছি। আমার ছোটকাল এখানে কেটেছে। আমি সকল শিক্ষক সম্পর্কে জানি, সকলেই অনেক দক্ষ ও মেধাবী। রফিক সাহেব প্রায় ৪০বছর ৭মাস সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন এ বিদ্যালয়ে। সারা জীবনটাই এ প্রতিষ্ঠানে ব্যয় করেছেন। রফিক সাহেব শিক্ষকতা কে পেশা ও নেশা হিসেবে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার দৃষ্টিতে তিনি এ প্রতিষ্ঠানের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ ও দক্ষ শিক্ষক ছিলেন। আজ আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছেন, কিন্তু মন থেকে নয়। তিনি সুনামের সহিত শিক্ষকতা করেছেন। পরিবেশ পরিস্থিতি যখন যেমন হয়, তখন তা মানিয়ে নিয়েই আমাদের কাজ করতে হয়। আমি সবসময় চেয়েছি বিদ্যালয়ের উন্নতি। আমরা চাই ভালো রেজাল্ট।

Model Hospital

এ প্রতিষ্ঠান গুলো এ এলাকায় আমার দাদা মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী সাহেব প্রতিষ্ঠা করেছেন। তাই আজ প্রতিষ্ঠানগুলো জ্ঞানের আলো আলোকিত করছে। সকলের প্রচেষ্টায় সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এ প্রতিষ্ঠান। তোমাদের মানবিক মূল্যবোধ থাকতে হবে। তোমাদের প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসতে হবে। এ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিজেদের থেকে প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের এখানে সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক ভবন হয়েছ। শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনির এমপি’র সহযোগিতায় এ বিদ্যালয়েও একটি ৪তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণ হয়েছে। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপি কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অবসরপ্রাপ্ত প্রবীন ধর্মীয় শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আমি এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী সাহেব ও তার পত্নি মরহুম রাবেয়া বেগমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমি এ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতি মরহুম তাহের হোসেন রুশদী স্যার এর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আমি যখন এখানে ইন্টাভিউ দিতে আসছি, তখন বুঝতে পারিছি আমার রেজাল্ট ঘোষনা হচ্ছে। ইন্টাভিউ বোর্ডটা আমার পক্ষে ছিল। আমি শ্রদ্ধা সাথে দোয়া করছি বিদ্যালয়ের সভাপতি মহোদয়কে।

এ বিদ্যালয়টির বয়স ৭৫বছর। আমাদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছে তখনকার সময় বিদ্যালয়ের জন্য। আমাদের সকলের প্রিয় বর্তমান সভাপতি সাংবাদিক সোহেল রুশদী সাহেবের পরিশ্রম ও বহু চেষ্টায় এ বিদ্যালয়ে একটি ভবন হয়েছে। এ ভবনটি এখানে খুবই প্রয়োজন ছিল, তা হয়েছে। শুকরিয়া মহান আল্লাহর কাছে ভবন হয়েছে, অনেক ফার্নিচার হয়েছে। সবই আমরা সভাপতি মহোদয়ের মাধ্যমে পেয়েছি। বিদ্যালয়ে যেকোন সমস্যা, আমাদের সভাপতি মহোদয়ের মাধ্যমেই সমাধান হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আমি সভাপতি মহোদয়কে আরো ধন্যবাদ জানাই, শেষ মুহুর্ত্তে একজন প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাসকে দিয়ে গেছেন। তিনি সবসময় কিভাবে বিদ্যালয় উন্নত করা যায়, তা নিয়েই ভাবেন। এ স্কুল আমার প্রান। আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু প্রানটা এখানেই থাকবে। মহান আল্লাহ এ স্কুলের উন্নতি দান করুক। এ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা একদিন বিদ্যালয়কে তুলে ধরবে।

এসময় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, জিলানী চিশতী কলেজের অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তার, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মোঃ দিদার হোসেন মিজি।

শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোসাম্মৎ রুবিনা আক্তার, সিনিয়র শিক্ষক মো: ইদ্রিস আলী, সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর দে, সহকারি শিক্ষক মো: নেছার আহমেদ খান, খন্ডকালীন শিক্ষক শারমিন আক্তার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী ফারহানা মাসুদ, দশম শ্রেনির শিক্ষার্থী তিন্নি আক্তার, রাহেলা আক্তার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা মেহেরুন্নেছা, সহকারি শিক্ষক মাওলানা আব্দুল মান্নান, কম্পিউটার অপারেটর মাওলানা মামুন হোসাইন।

সংবর্ধনা শেষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অবসরপ্রাপ্ত প্রবীন ধর্মীয় শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও বিদ্যালয়ের সভাপতি পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রধান অতিথি বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী ও প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাসসহ অতিথিবৃন্দ। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন শিক্ষার্থীবৃন্দ।

পরে বিদ্যালয়ের প্রবীন ধর্মীয় শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী কে অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে এক আবেগ আপ্লুত পরিবেশে ফুল দিয়ে স্বজ্জিত গাড়িতে করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস। তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

উল্লেখ্য প্রবীন ধর্মীয় শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী অত্র বিদ্যালয়ে ২৮/০৭/১৯৮২ইং তারিখে যোগদান করেন । তিনি দীর্ঘ ৪০বছর ৭মাস চাকুরী করেন এবং গতকাল ২৮ ফেরুয়ারী অত্র বিদ্যালয়ে তার শেষ কর্মদিবস ছিলো।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’