বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের নাগরিক : শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০২৩, ৩:৫২ পিএম
নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের নাগরিক : শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন আমাদের মস্তিষ্ক একটি সুপার কম্পিউটার। এই সুপার কম্পিউটারকে ব্যবহার করেই আমাদের জ্ঞানের অন্য শাখা প্রশাখায় ঢুকতে হবে। একটা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে স্মার্ট নাগরিক দরকার। আর স্মার্ট নাগরিক গড়ে তোলা তখনি সম্ভব যখন একজন মানুষ আইসিটি সংক্রান্ত বিশেষ করে সফট স্কিলগুলোকে আয়ত্ত করতে পারে । চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে চলতে হলে আজকের শিক্ষার্থীকে নব জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে গড়ে উঠতে হবে।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকালে চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত জেলা প্রশাসন অলিম্পিয়াডের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রয়োজন স্মার্ট নাগরিক। আর নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাই হবে সেই স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক। স্মার্ট নাগরিক মানে, নিজে নিজে চিন্তা করতে শেখা, সৎ, পরমশহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ। আর নতুন শিক্ষা পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের এগুলোই শেখাবে। এ ক্ষেত্রে নতুন শিক্ষাক্রম যেমন ভূমিকা রাখবে তেমনি এই ধরনের অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নেবে এবং দেশ-বিদেশে নানা সাফল্য অর্জনেও ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ডা. দীপু মনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমরা অংশীদার হতে পারবো এবং এ বিপ্লবের সফল অংশীদার হয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। যেহেতু আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশে আছি, সেহেতু আমাদের পক্ষে সেটা সম্ভব। এ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যে প্রযুক্তিগুলো যেমন রোবোটিক্স আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), ন্যানো টেকনোলজিসহ বিভিন্ন বিষয় শিখতে হবে এবং দক্ষ হতে হবে। তাই এখনই সময় এখন থেকেই নিজেদের তৈরি করতে হবে। আজকে আমরা যারা আছি আমরা হয়তো অনেক কিছুই দেখে যেতে পারবো না। কিন্তু যারা এখন শিক্ষার্থী আছো তোমরা যখন বড় হবে তোমাদের কাজের জগত আমাদের কাজের জগতের চেয়ে অনেক ভিন্ন হবে। সেখানে এ প্রযুক্তিগুলো লাগবে। সেই কারণে আমরা চাই নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা এখন থেকেই শিখে।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বিপিএম বার, পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাস, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ, পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

পরে অলিম্পিয়াডে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী । উল্লেখ্য, অলিম্পিয়াড – ২০২২ আসরে জেলার প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital