শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যান্টেনমেন্টে গঠিত দল তো আর গনতান্ত্রিক দল হতে পারে না

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩, ৪:১৯ পিএম
ক্যান্টেনমেন্টে গঠিত দল তো আর গনতান্ত্রিক দল হতে পারে না
২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে খরিপ-১/২০২৩-২৪ মৌসুমে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে-বীজ ও সার এবং ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী জেলেদের মাঝে বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ (বকনা বাছুর) ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদ হতে প্রাপ্ত অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে হাইমচর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদের পরিচালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এম.পি.।
এসময় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তিনি সারা বিশ্ব থেকে সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে আসতে পেরেছিলেন, আমরা তখন ঘুরে দাড়িয়ে ছিলাম। তখন দেশে চাউলের দাম সবছেয়ে কম পর্যায়ে নেমে এসেছিল। তখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যাহারা অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় এসেছিল তারা শিক্ষা স্বাস্থ উন্নয়নের কোন সুযোগ সে ভাবে তৈরি করতে পারেনি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা যখন বঙ্গবন্ধুর হত্যার ছয় বছর পর দেশে ফিরে এসেছিলেন তিননি পনেরো বছর দেশে থেকে একটানা আন্দোলন সংগ্রাম করে প্রথম বার ১৯৯৬  সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বাংলাদেশ স্বাধীনতার সেই চেতনায় ফিরে গেলো। এই চেতনা কিছিল আমরা একটি অসম্প্রদায়িক গনতান্ত্রিক একটা শোষন বৈষম্যহীন একটা সমাজ তৈরি করবো। যেখানে মানুষ সুখে থাকবে শান্তিতে নিরাপদে থাকবে।
মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে। বঙ্গবন্ধু তার অর্থনীতিটাকে খুব সহজ ভাষায় বলেছিলেন, আমি দুখি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।
যখন একজন দুখি মানুষ কখন হাসে? যখন তার পেটে ভাত থাকে, গায়ে কাপড় থাকে, মাথা গোজার ঠাই থাকে, তার ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার ব্যবস্থা থাকে, আয় রোজগারের ব্যবস্থা ও তার চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকে। তখনই সত্যিকার অর্থে দুখি মানুষের মুখে হাসি ফোটে উঠতে পারে। কিন্তু তার পরে যারা সামরিক আধাসামরিক  নানান চেহারার সৈরা শাষক যারা এসেছে, জিয়াউর রহমান অবৈধ ক্ষমতা দখল করে একটি দল গঠন করলেন। ক্যান্টেন্টমেন্ট থেকে যে দল হয় সে দল তো আর গনতান্ত্রিক দল হতে পারে না। এই দল তো সাধারণ মানুষের দুঃখ কস্ট লাগবের জন্য কাজ করে না। তারা নিজেদের আখের গোছানোর জন্য কাজ করেছে। এর পরে এরশাদ তার পরে বেগম জিয়া। এবং আমরা কি দেখেছি হাওয়া ভবন, খোঁয়াব ভবন দেখেছি, লুটপাট দেখেছি।
আমরা দেখেছি সেই ৭৫ এর হত্যাকারীদের যেমন তাঁরা পুরস্কিত করেছিলো। হত্যা কারির বিচার না করে তারা পুরস্কার দিয়েছিলো। বিচার বন্ধ ছিলো জিয়াউর রহমান। একাত্তরের হত্যাকারিদের ক্ষমতায় বসিয়েছিলো। তাদের বিচার না করে এবং তাদের কে ক্ষমতায় বসিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদের সাথে বেইমানি করেছিলো, লক্ষ লক্ষ ধসিতাম নারীর সাথে বেইমানি করেছিলো। সারাদেশে সাথে স্বাধীনতার সাথে বেইমানী করেছিলো।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জে আর ওয়াদুদ টিপু, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, চাঁদপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ইয়াছিন আরাফাত।
এসময় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রধানীয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বেপারী, উপজেলা কৃষি অফিসার মোতাহার হোসেরসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন উপজেলা বিএনপি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এসময় তাঁরা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় উপজেলা এবং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সমবেদনা জানিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল। খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদ মিয়াজীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি সোয়েব আহমেদ সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সাগর, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এএসএম বদরুদ্দোজা দুলাল পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সুলতান কাজী প্রমুখ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল হক জহির, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরান হোসেন মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম জিলানী তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর মিয়াজী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাবের ছিদ্দিকি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মিরাজ মাহমুদ জিসানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গেল মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।