কচুয়ায় ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৬৫ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মেধা বিকাশ বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন
পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন আয়োজক প্রধান ব্যবস্থাপক মো. জান্নাতুল আলম আলমগীর।
শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এবং গ্রামীণ এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশে এক অনন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে চাঁদপুরের কচুয়ায়। শনিবার সকালে উপজেলার কাদলা ইউনিয়নে কাদলা রহমাতাল্লিল আলামিন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং ‘স্বপ্নবাজ’ ও ‘বরইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের সৌজন্যে দিনব্যাপী জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘মেধা বিকাশ বৃত্তি পরীক্ষা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন বিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরীক্ষাটি উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে। কাদলা ইউনিয়নের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এবং বেসরকারি কেজি স্কুলের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

মোট ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সর্বমোট ৬৬৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থী পরীক্ষায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এর মধ্যে পঞ্চম শ্রেণি ২৭৮ জন, চতুর্থ শ্রেণি ২১২ জন, তৃতীয় শ্রেণি ১৭৯ জন।

পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন আয়োজক প্রধান ব্যবস্থাপক ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী এবং কাদলা খাদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসার প্রভাষক মো. জান্নাতুল আলম আলমগীর।

পরীক্ষার আয়োজক প্রধান ব্যবস্থাপক মো. জান্নাতুল আলম আলমগীর জানান, তৃণমূলের শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন, সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং ঝরে পড়া রোধে এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। আগামীতেও শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এমন গঠনমূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এ সময় পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, পরীক্ষার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, প্রধান নিয়ন্ত্রক আমির হামজা এবং বরইগাঁও যুব উন্নয়ন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল আলম, হাজী ইমরান, এমদাদুল হক মিলনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষকবৃন্দ।





