রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কচুয়ায় আউশের বীজ ও সার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩, ৮:৩০ এম
কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কচুয়ায় আউশের বীজ ও সার বিতরণ

কচুয়ায় কৃষি পুনর্বাসন ও কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্রও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশের সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা কৃষিসম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পরিষদ প্রাঙ্গানে ৭হাজার ৫শত জন কৃষকের মাঝে উন্নত জাতের আউশ ধান বীজ (ব্রি-ধান-৪৮) ও সার বিতরণ কার্যক্রম ভার্চুয়ালের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি।

আউশ ধান আবাদের লক্ষ্যে প্রত্যেক কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান বীজ (ব্রি-ধান ৪৮), ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ পটাশ সার এবং ২শত ৭০ জন পাট চাষীর মাঝে জনপ্রতি ১ কেজি করে পাট বীজ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানে যোগদানকারী অতিথিবৃন্দ।

১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ৭হাজার ৫শত কৃষকদের মাঝে আউশ প্রণোদনা বন্টন করা হয়।

Model Hospital

তন্মেধ্যে, সাচার ইউনিয়নে ২০জন কৃষক,পাথৈর ১০জন, বিতারা ৪শত ৫০জন, পালাখাল মডেল ১শ ২০জন, সহদেবপুর পশ্চিম ৩০জন,কচুয়া উত্তর ৬শত ৫০ জন, কচুয়া দক্ষিণ ৪শত, কাদলা ২০জন, কড়ইয়া ৫শত, গোহট উত্তর ১হাজার ৭শত ৫০জন, গোহট দক্ষিণ ১হাজার ৩শত ৫০জন, আশ্রাফপুর ২হাজার, কচুয়া পৌরসভার ২শত জন কৃষকদের মাঝে পর্যায়ক্রমে এ আউশ প্রণোদনা দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান শিশির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সোফায়েল হোসেন, কৃষি সম্প্রাসারন কর্মকর্তা নাজিম উদ্দীন ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মানিক মিয়া, উপ-সহকারি কর্মকর্তা টিটু মোহন, মোঃ ফারুক সহ উপজেলা বিভিন্ন ব্লকের উপ-সহকারি ৃবৃন্দ।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।