বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কলেজ ছাত্র রাশেদুল আলমের নির্মম মৃত্যুর প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১০:১৩ পিএম
কলেজ ছাত্র রাশেদুল আলমের নির্মম মৃত্যুর প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জে মানববন্ধন

“সড়কে রক্তপাত ও হাসপাতালে অবহেলা বন্ধ করো, জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করো” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সড়ক দূর্ঘটনা ও সরকারি হাসপাতালের কর্মকর্তাদের অবহেলায় মেধাবী ছাত্র মো. রাশেদুল আলমের নির্মম মৃত্যুর প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে ফরিদগন্জ  উপজেলার ৫ নংগুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ফকির বাজারে সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী এ প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাশেদের রক্তাক্ত দেহ দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা না করে পরিচয় সনাক্ত করনে বেশী তৎপর ছিলো। তাই অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে তার মৃত্যু হয়। আর গাড়ী চালানোর অভিজ্ঞতা  না থাকলেও যে কেউ গাড়ী নিয়ে রাস্তায় নেমে যায়, সিএনজি ড্রাইভারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বক্তারা।

রাশেদুল আলমের বাবা বলেন, যাদের গাফিলতির কারনে আমার ছেলে পরপারে চলে গেলো তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছি।

Model Hospital

এ সময় বক্তব্য রাখেন, প্রেরনা সামাজিক সংঘের আহবায়ক মাহবুবুর রহমান, প্রভাত সামাজিক সংঘের এমরান হোসেন, ইউপি সদস্য আল-আমিন, জেলা ছাত্রলীগ নেতা আরেফিন শুভ,  গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছ আহাম্মদ, সাংগঠনিক  সম্পাদক ফজলুল হক বাদল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক বাহাউদ্দিন আরমান,

ছাত্রলীগ নেতা আবু আনাছ ও নিহত রাশেদুল আলমের বাবা খোরশেদ আলম।

হাজীগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার গোলাম মাওলা নঈম বলেন, আমাদের চিকিৎসকদের চিকিৎসায় কোন ধরনের অবেহলা ছিল না। ওইদিন দুর্ঘটনায় আহত ৪জন রোগী আসে। সকলকেই চিকিৎসা দেয়া হয়। তিনজনের পরিবারের সদস্য এসে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। রাশেদুল ইসলামের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তারপরেও চিকিৎসকরা সাধ্যমত চিকিৎসা দিয়েছে। আমি দুইদিন পর তার পরিচয় জানতে পেরেছি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে হয়তো সে বেঁচে যেত। তার মৃত্যুতে আমিও দুঃখ প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্যঃ গত ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেররে হাজীগঞ্জ উপজেলার বেলচোঁ বাজার ও সেন্দ্রা গ্যাসপাম্প সংলগ্ন এলাকায় সিএনজি ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হয। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে আশংকা জনক হিসেবে বিবেচিত করে এবং রাতেই রাশেদুল আলমের মৃত্যু হয়। রাশেদুল আলম ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫ নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের শ্রী কালিয়া শফিক মৌলভী বাড়ির খোরশেদ আলমের ছেলে ও হাজিগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital