শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পিতা

বাইতুল মোকারম মসজিদের সাবেক খাদেম তাফাজ্জল পাটওয়ারীর দাফন সম্পন্ন

মাসুদ হোসেন ও সজিব খান প্রকাশিত: রবিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৭:৪৭ পিএম
বাইতুল মোকারম মসজিদের সাবেক খাদেম তাফাজ্জল পাটওয়ারীর দাফন সম্পন্ন

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারীর পিতা মোঃ তাফাজ্জল ইসলাম পাটওয়ারীর জানাজা রবিবার (৩ ডিসেম্বর) বাদ জোহর দক্ষিণ রামপুর মরহুমের নিজ বাড়ীতে সম্পন্ন হয়েছে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।

তিনি গত শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ১০টায় নিজ বাড়ীতে বার্ধক্যজনিত কারনে ইন্তেকাল করেন। এসময় তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৫ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে যান। পেশাগত জীবনে তিনি জাতীয় বাইতুল মোকারম মসজিদের প্রায় ৩৭ বছর যাবত খাদেমের দায়িত্ব পালন করেন।

মরহুমের পুত্র ৫নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারীর তত্ত্বাবধানে, সাবেক ছাত্র নেতা শওকত হিরুর উপস্থাপনায় মরহুমের জানাজায় উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, চাঁদপুর পৌরস়ভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান পাটওয়ারী, রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী, রামপুর আদর্শ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু জাফর মোঃ মাইনুদ্দিন, রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মির্জা মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপদেষ্টা মোক্তার হোসেন মাস্টার, মরহুমের ভাগিনা ওয়াহিদুজ্জামান।

জানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের বাড়ীর মসজিদের খতিব হাফেজ মোঃ ইয়াছিন।

Model Hospital

মরহুমের জানাজায় অংশগ্রহন করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এএইচ এম আহসান উল্লাহ, চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী মাঝি, কমিশনার সোহেল রানা, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, হানারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর ছাত্তার রাড়ী, আশিকাটি ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী, ২নং বাকিলা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন,

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কালাম বঙ্কু পাটওয়ারী, রামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন লিটু, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হাজী, সদর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক এডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমন, সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন পলাশ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির উদ্দিন মিজি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন খান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ আহসান পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক মোহসিন খান, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল ইনু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সুধীজন, আত্মীয় স্বজন ও এলাকার জনসাধারণ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital