শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভার্চুয়াল নির্বাচনী জনসভায় চাঁদপুর জেলায় অংশগ্রহণ

আমরা চাই জনগণ তার ভোটের অধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৯:০৬ পিএম
আমরা চাই জনগণ তার ভোটের অধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট চুরির সুযোগ পাবে না দেখে বিএনপি নির্বাচনে আসছে না ‘কোন দল আসল না আসল তাতে কিচ্ছু আসে যায় না। বিএনপি আসে না একটা কারণে যে এখানে ভোট চুরির সুযোগ নেই। ২০০৮ সালে পারে নাই, যার জন্য তারা সবসময় নির্বাচন বাতিল করতে চায়, বর্জন করতে চায়।

২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় চাঁদপুর হাসান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে কয়েকটি জেলায় অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল নির্বাচনী জনসভায় চাঁদপুর জেলায় অংশগ্রহণ করে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, সুষ্ঠুভাবে আপনারা নির্বাচন করবেন, নিজের দলের মধ্যে ঐক্য রাখবেন। যত প্রার্থী আছেন, তারা স্বাধীনমতো গণসংযোগ করুক । জনগণকে সুযোগ দিন, পছন্দমতো প্রার্থী পছন্দ করে নেবে এবং ভোট দেবে। তাতে আমাদের গণতন্ত্র আরো শক্তিশালী হবে।

সবার কাছে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি, জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি। জনগণের ক্ষমতা আমরা নিশ্চিত করেছি, সেটা ধরে রেখেই আমাদের এগোতে হবে।’

Model Hospital

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে যেন কেউ কোনো অভিযোগ আনতে না পারে; শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ এবং ভোটারের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘‌উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করে জনগণের কল্যাণ সাধন করতে হবে।’

আসন্ন নির্বাচনে জনগণ ও ভোটারদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোন দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে বা নিচ্ছে না, তাতে কিছু যায় আসে না। ভোট কারচুপির কোনো নিশ্চয়তা না থাকায় বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে না।’ ‘আমরা এ দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করি আর বিএনপির জ্বালাও পোড়াও অগ্নিসন্ত্রাস, এটাই তারা ভালো বোঝে, এটাই তারা করে। এদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। কেননা সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী সংগঠন হচ্ছে বিএনপি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘এবারের নির্বাচনে আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ করে কেউ মানুষের ক্ষতি যেন করতে না পারে। সেজন্য সবাইকেই সজাগ থাকতে হবে ‘৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ভোট দেবে। ভোটের মালিক জনগণ, এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা এটা উন্মুক্ত করেছি, আমাদের নৌকার প্রার্থীও আছে, স্বতন্ত্রও আছে এবং অন্যান্য দলও আছে।’

প্রত্যেকে জনগণের কাছে যাবেন, জনগণ যাকে ভোট দেবে, তিনি নির্বাচিত হবেন। কেউ কারো অধিকারে হস্তক্ষেপ করবেন না। এখানে কিন্তু সংঘাত-মারামারি কোনো কিছু আমি দেখতে চাই না। সংঘাত হলে আমার দলের যদি কেউ করে, তার কিন্তু রেহাই নেই। তার বিরুদ্ধে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নেব। ‘আমরা চাই জনগণ তার ভোটের অধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করবে। যাকে খুশি, যাকে পছন্দ, তাকে ভোট দেবে, তিনি জয়ী হয়ে আসবেন। গণতন্ত্রকে আরো সুদৃঢ় করতে হবে। উন্নয়নের ধারাটা যদি অব্যাহত রাখতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগকেই সরকার গঠন করে জনগণের কল্যাণ সাধন করতে হবে। সেটা আপনাদের মাথায় রাখতে হবে। কেউ যেন কোনো অভিযোগ আনতে না পারে নির্বাচন নিয়ে।’

জনসভায় চাঁদপুরের ৫টি আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, চাঁদপুর -২ সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, চাঁদপুর- ৩ সদর ও হাইমচর আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বীর বিক্রম।

জনসভার চাঁদপুর প্রান্তে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওচমান গনি পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ডাঃ জে আর ওয়াদুদ টিপু, পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, ফরিদগঞ্জ পৌর মেয়র যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, অ্যাড. মজিবুর রহমান ভূইয়া, উপ দপ্তর সম্পাদক অ্যাড.রনজিত রায় চৌধুরী, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুছ, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাড, জাহিদুল ইসলাম রোমান, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড জেসমিন সুলতানা, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি রাধা গোবিন্দ গোপ, সাধারন সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড জাফর ইকবাল মুন্না, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, মোহাম্মদ আলী মাঝি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক অ্যাড. হেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফেরদাউস মোর্শেদ জুয়েল, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য গাজী মুক্তার হোসেন, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাড, হুমায়ুন কবির সুমন, যুগ্ম-আহ্বায়ক শিমুল হাসান সামনু, তাজুল ইসলাম মিয়াজি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জহির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর ও শেরপুর জেলা, ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর ও বান্দরবান জেলার নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার ওপর নির্মিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরে চাঁদপুরের শিল্পীদের পরিবেশনায় নাচ ও গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’