বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের শাহমাহমুদপুরে ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী উঠান বৈঠকে জনতার ঢল

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০:১৯ পিএম
চাঁদপুরের শাহমাহমুদপুরে ঈগল প্রতীকের নির্বাচনী উঠান বৈঠকে জনতার ঢল
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে নৌকার পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে পাঠিয়েছেন।
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আপনারা সকলে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ঈগলের জয় নিশ্চিত করে আমাকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন। তিনি বলেন, নৌকার মধ্যে সাপ, ব্যাঙ, কুচিইয়া উঠে গেছে। এগুলো থেকে নৌকাকে মুক্ত করতে ঈগলের প্রয়োজন। তাই ঈগল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে এসেছি। আমি নির্বাচিত হলে নৌকাকে এসব থেকে মুক্ত করবো।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড পূর্ব লোধেরগাঁও গুচ্ছগ্রামে আয়োজিত উঠান বৈঠকে শাহমাহমুদপুরের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঈগল প্রতীকের শাহমাহমুদপুরের কেন্দ্র কমিটির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খান দুলুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান।
ব্যক্তিগতভাবেও আমি ১২ বছর চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। ছিলাম সংসদ সদস্য হিসেবেও। আমার কর্মজীবনে কেউ কোনদিন অনৈতিকভাবে এক কাপ চা খাওয়াতে পারেনি। তাই ভোট অন্য প্রতীকে দেউক বা আমার প্রতীক ঈগল এ দেউক, সমস্যা নাই। আপনাদের মূল্যবান ভোটে একজন যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন। কিন্তু কাউকে বাঁধা প্রদান করা যাবে না। ভোটাররা যাতে স্বতঃফুর্ত ভাবে ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে, সেজন্য আমরা জণগনের পাশে রয়েছি।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামছুজ্জামান পাটওয়ারীর পরিচালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুর রব ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. জহিরুল ইসলাম, সদস্য মোঃ শরীফ হোসেন পাটওয়ারী, শাহালম মিয়া, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান কালু ভুইয়া, পৌর আওয়ামীলীগ নেতা হারুনুর রশিদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল পাটওয়ারী, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু মোল্লা, সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির খান, সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বেপারী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আরিফুর রহমান সুজন, শাহমাহমুদপুরের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সুজন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি বারেক সুমন, সহ সভাপতি সিহাব সুমন, শাহমাহমুদপুরের ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ খান রাজু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ।
দেখা যায়, এই উঠান বৈঠকে সকল স্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।
শাহমাহমুদপুরের কেন্দ্র কমিটির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খান দুলুর নেতৃত্ব এক বিশাল শোডাউন নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital