শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর ২ আসনে মাঠ জরিপে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ইসফাক আহসান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৪, ৮:০২ পিএম
চাঁদপুর ২ আসনে মাঠ জরিপে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ইসফাক আহসান

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর- ২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিন) আসনে ভোটের মাঠে এবার নতুন মুখ দেখতে চান এলাকাবাসী। এই তালিকায় অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে শুধু প্রচার-প্রচারণায় নয় জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন এম ইসফাক আহসান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শের মহান ব্রত নিয়ে নিজেকে গড়ে তোলা এক আর্দশিক নেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী আহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ইসফাক আহসান (সিআইপি)।

তার চিন্তা ও চেতনা সমাজের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার। তিনি সর্বদা এলাকার উন্নয়নের চিন্তা করেন ও সেই উদ্দেশ্যে কাজ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি চাঁদপুর ২-আসনের মানুষের কাছে একজন নিঃস্বার্থ এবং ত্যাগী নেতা হিসাবেই পরিচিতি লাভ করে আসছেন। তাকে নিয়ে এলাকার মানুষ স্বপ্ন দেখেন, তাকে নিয়ে মানুষ মহান আল্লাহ পাকের কাছে প্রার্থনা করেন।মতলববাসী বিশ্বাস করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফাক আহসান এমপি নির্বাচিত হলে সাধারণ মানুষের মাঝে রাষ্ট্রের সকল বরাদ্দের সুষম বণ্টন হবে এবং এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে, চাঁদপুর- ২ আসনটি একটি বেকারত্ব, দারিদ্র্যমুক্ত, দুর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত স্মার্ট মতলব হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। কারণ তার স্বপ্ন মতলব উপজেলাকে স্মার্ট বাংলাদেশের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

ভোটারদের মুখে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে- মতলববাসীর স্বপ্ন পূরণে ইসফাক আহসানের ঈগল মার্কার বিকল্প নেই। এলাকায় তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। নির্বাচনে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকাবাসীর কাছে অত্যন্ত সাদামাটা ও ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে দলমত নির্বিশেষে ব্যাপক পরিচিত মুখ ইসফাক আহসান। মানুষের জন্য, মানুষের কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করা এই মানুষটি এলাকায় মানবতার ফেরীওয়ারা হিসেবে সর্বমহলে জনপ্রিয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ক্রীড়া সার্বিক কল্যানে তার এমন গুনাবলীর কথা এলাকাবাসী এবং বিশিষ্টজনদের মুখে মুখে।

সরেজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে এ আসনে ভোটের মাঠে নৌকার সাথে মূল প্রতিদ্বন্ধী (ঈগল) প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর। আর মাঠ জরিপে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন ইসফাক আহসান।

Model Hospital

এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৭ হাজার ২শ’ ২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৩৮৬৩৪ জন এবং নারী ভোটার হচ্ছে ২২৮৫৯৪ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫৫ টি।
আসন্ন নির্বাচনে নানা কারণেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু চাঁদপুর -২ আসন। এ আসনে বরাবরের মতোই নৌকার প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। এ আসনে নৌকার মূল প্রতিদ্বন্ধী (ঈগল) প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ইসফাক আহসান। তিনি ২০২১ সালে দেশের রপ্তানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় সরকারের কাছ থেকে সিআইপি নির্বাচিত হন। শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে কাজ করে মতলব উত্তর ও দক্ষিণের সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পৌঁছে গেছেন তিনি। উপজেলার গরীব দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানো ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রতিনিয়ত অবদান রাখছেন তিনি।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন, অসহায় ও নিম্নবিত্তসহ চাঁদপুরের মতলবের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন আহসান গ্রুপের পরিচালক, শিল্পপতি এম ইসফাক আহসান। তিনি হেল্প লাইনের মাধ্যমে মতলব উত্তর উপজেলা ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার অসহায় পরিবারকে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছিলেন। যারাই হেল্প লাইনে সহযোগিতা চেয়ে কল করছেন তাদের বাড়িতেই পৌঁছে দেয়া হয়েছে খাদ্যসামগ্রী।

তিনি নির্বাচনী এলাকা মতলব উত্তর দক্ষিণে নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ২ সহস্রাধিক গৃহীনদের মাঝে বসত ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন, মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য গরু ছাগল বিতরণ, বিধতা ভাতা, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজে তার সহযোগিতা ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এম ইসফাক আহসান, সিআইপি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ২২তম জাতীয় কাউন্সিল দপ্তর উপ-কমিটির সাবেক সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ২২তম জাতীয় কাউন্সিল অভ্যর্থনা উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন।

এম ইসফাক আহসানের বাবা এ এস এম কামরুল আহসান (সিআইপি) মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে মুক্তিযুদ্ধকালীন সংগ্রাম পরিষদের সদস্য। তার শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মোল্লা নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। তিনি নরসিংদী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন। এম ইসফাক আহসান ইউকে থেকে ২০০৩ সালে ব্রিটিশ কাউন্সিল এডক্সেল ‘ও’ লেভেল, আমেরিকান কাউন্সিল অফ এডুকেশন থেকে ২০০৫ সালে জিইডি শেষ করেন। এরপর তিনি ২০০৯ সালে লিমককিং ইউনিভার্সিটির লন্ডন ক্যাম্পাস থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

দলমত নির্বিশেষে এলাকার সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের দাবি স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফাক আহসান বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ তিনি কর্মীবান্ধব নেতা, তিনি জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করেন, তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, তিনি গরিব দুঃখীদের পাশে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। সর্বোপরি, তিনি ছোটবেলা থেকেই রাজনৈতিক মতাদর্শের আলোকে বড় হয়েছেন, তাই তার মাঝে একজন আদর্শ নেতার ভাবমূর্তি বিদ্যমান।

মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের ইমাম হোসেন বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফাক আহসান একজন ভালো মনের মানুষ, তিনি করোনাভাইরাসের সময় মানুষের দ্বারে দ্বারে চিকিৎসাসেবা, অক্সিজেন সরবরাহ, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করে নজির স্থাপন করেছেন, তিনি এমপি না হয়েও এলাকার বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জায়গায় মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ‘আমার প্রথম ভোট তাকে দেব কারণ তিনি একজন যোগ্য প্রার্থী, ইসফাক ভাই এমপি হলে মতলবে ব্যাপক উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূর হবে।’

এম ইসফাক আহসান, সিআইপি বলেন ,আমি দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম ও আছি। আমি মুজিব আদর্শের সৈনিক, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে সফল করতে, আমার এলাকার মানুষের আশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে, সাধারণ মানুষের দাবির মুখে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হয়েছি। চাঁদপুর- ২ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়, তারা এলাকার উন্নয়ন চায়, তারা আমাকে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। আমি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের ভোটে নির্বাচিত হব বলে বিশ্বাস করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাই আমি চাঁদপুর -২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।’ আশা করি আপনাদের ভালোবাসা ও জনপ্রিয়তায় আমাকে সফল হওয়ার সুযোগ দিবেন। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আমাকে ‘ঈগল ’ মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিবেন। তিনি নির্ভয়ে ভোটারদের স্বত:স্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ‘ঈগল ’ মার্কায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’