শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ৫শ’ ৪২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, ভোটের মাঠে থাকবে ১১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৪, ৮:৩০ পিএম
চাঁদপুরে ৫শ’ ৪২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, ভোটের মাঠে থাকবে ১১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের ৫টি নির্বাচনী আসনে অতিগুরুত্বপূর্ণ অর্থাৎ ঝুঁকিপূর্ণ ৫৪২টি কেন্দ্র চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এইসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ মোট ৭০০ কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ভোট উৎসব উপহার দিতে প্রায় ১১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য একযোগে কাজ করতে নিয়োজিত রয়েছেন।

শনিবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় হতে এসব তথ্য জানা যায়।

পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায় বলেন, আমরা সদরে ৭০টিসহ মোট ৫৪২টি অতিগুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিত করে কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছি। সুন্দরভাবে ভোট উৎসবের জন্য এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য টিমভিত্তিক হয়ে একযোগে কাজ করছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার জেলার ৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২১ লাখ ৫৬ হাজার ৬০৯। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১১ লাখ ১২ হাজার ৫৭৭ এবং নারী ভোটার ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৩২ জন। জেলা মোট ভোটকেন্দ্র সংখ্যা ৭০০টি। যেখানে মোট ভোট কক্ষ ৪ হাজার ২৬৪টি এবং স্থায়ী কক্ষ ৪ হাজার ৮৭টি এবং অস্থায়ী ১৭৭টি। আসনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৫টি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩০ জন।

Model Hospital

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এ এস এম মোসা বলেন, নির্বাচনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ৫টি আসনে সেনাবাহিনী ১০ প্লাটুন, বিজিবি ১৪ প্লাটুন, র‌্যাব ৫ প্লাটুন এবং প্রত্যেক কেন্দ্রে আনসার ও বিডিপির স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট ৩০ জন এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবে।

চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, সদর হাইমচর চাঁদপুর-৩ আসনের ১৬৫ কেন্দ্রের মধ্যে চরাঞ্চলের ১৮ কেন্দ্র এবং চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ আসনের ২টিসহ মোট ২০টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনী সব সামগ্রী যাচ্ছে। বাকি কেন্দ্রে ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার যাবে।

চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জেলার ৫টি আসনে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছে। যথেষ্ট পরিমাণ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন আছে। এখন পর্যন্ত জেলায় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্দেশিত নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনের মাধ্যমে নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে ও শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত আছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ১১ হাজারেরও বেশি সদস্য নিয়োজিত রয়েছে। প্রত্যেকটি আসনের নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের নির্বাচন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সার্বিক দিকনির্দেশনা দেওয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital