বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে জাতীয় বীমা দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ 

সরকার বীমা খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও গ্রাহক সেবা উন্নত করণে বদ্ধপরিকর : ইউএনও ইয়াসির আরাফাত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪, ১২:২৩ এম
সরকার বীমা খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও গ্রাহক সেবা উন্নত করণে বদ্ধপরিকর : ইউএনও ইয়াসির আরাফাত
শাহরাস্তিতে জাতীয় বীমা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে এক  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ মিলনআয়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
“করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ, এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কো: লি: মেহের কালিবাড়ি জোনাল ম্যানেজার মোঃ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও  সংগঠনের চীফজোনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ জামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলংকৃত করে বক্তব্য প্রদান করেন শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজ্ঞ নিবাহী  ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইয়াসির আরাফাত।
তিনি বিমা দিবসের গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ইতোমধ্যে  সরকার বিমা শিল্পকে আরো উন্নত ও সহজিকরণ করে দেশের ব্যাংকে বীমা পণ্য বেচাকেনার সেবা চালু করতে যাচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে এটি সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকে মিললেও সহসায় সমগ্র দেশে এ সেবা ছড়িয়ে পড়বে।
বীমা খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে বীমা দাবি পরিশোধের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করে বীমা কোম্পানিগুলোকে বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করে আসছে সরকারের সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষ।
সরকার বীমা খাতের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল  ও গ্রাহক সেবা উন্নত করণে সব সময় বদ্ধ পরিকর। বর্তমানে দেশের ১ কোটি ৭১ লাখ ১০ হাজার মানুষ বীমার আওতায় রয়েছে। এর ফলে দেশের লাইফ ও নন-লাইফ বীমা খাতে নিষ্পত্তিকৃত বীমা দাবির পরিমাণ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ৪ শতাংশ বেড়েছে।
বর্তমানে দেশের বীমা খাতে মোট ৮২টি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বীমা সেবা দিচ্ছে বলে জানান তিনি।এ সময় অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন,  উপজেলা পরিষদের  ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ ইরান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেড এম আনোয়ার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আবু ইসহাক,এন এল আই শাহরাস্তি সহকারী জোন প্রধান মোঃ খোরশেদ আলম, এজিএম সাফায়েত উল্লাহ প্রমূখ।
ওইদিন আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুরুতে এক বর্ণাঢ্য  র‌্যালি উপজেলা কমপ্লেক্স চত্ত্বর প্রদক্ষিণ করে।
পরে দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সূচিপাড়া ডিগ্রী কলেজ প্রথম, বিএম ল্যাবরেটরি স্কুল ২য়, তৃতীয় হন নিজমেহের মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।
একই সময় ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স কো: লি: এর ০৪জন গ্রাহককের মেয়াদ উত্তীর্ণ পলিসির চূড়ান্ত দাবিকৃত টাকার চেক প্রধান অতিথির হাতে পরিশোধ করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।