শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইফতার ও সেহরীর সময় লোডশেডিংয়ে বিরক্ত স্থানীয়রা

শাহরাস্তিতে যখন তখন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনগণ

রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৮:১৬ পিএম
শাহরাস্তিতে যখন তখন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনগণ
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৮-১০ ঘণ্টাই লোডশেডিং হচ্ছে। দিনে ও রাতে বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা।
একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে মানুষ। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতি ঘণ্টায় প্রতিনিয়ত লোডশেডিং হচ্ছে। ইফতারী, সেহরী এমনকি তারাবীর নামাজের সময় লোডশেডিংয়ে বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা।
পৌরসভার বাসিন্দা নিলুফা বেগম বলেন, ‘দিনে অর্ধেক সময় এবং রাতেও সমানতালে লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাসেও অসহনীয় লোডশেডিংয়ে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’
কালীবাড়ি বাজার ব্যবসায়ী সুমন মিয়া বলেন, ‘দিনে ১২ ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুত থাকছে সর্বোচ্চ তিন-চার ঘণ্টা। ঈদের সময় আমাদের বেচা বিক্রির মুহূর্তে এরকম লোডশেডিং সত্যিই মেনে নেয়ার মতো না। এতো লোডশেডিং আমার মনে হয় আগের কোন রমজানে কখনো হয়নি। সহনীয় পর্যায়ে লোডশেডিং হলেও কিছুটা স্বস্তিতে থাকা যেত।’
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (শাহরাস্তি জোনাল অফিস) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ মোবারক হোসেন বলেন, ‘রমজান মাসে প্রথম ২০ রোজা পর্যন্ত আবহাওয়া ঠান্ডা ছিলো তখন বিদ্যুতের এতো চাহিদা ছিলো না, তবে ২১ রোজা থেকে প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। আমরা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। চাহিদা মোতাবেক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেলে কোনো লোডশেডিং হবে না। এর নিচে নামলেই লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। এর জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করি, শীঘ্রই অবস্থার পরিবর্তন হবে।’

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital