শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৮:৪৪ পিএম
চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি।

সোমবার ১০ জুন সন্ধ্যায় ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চাঁদপুর শহরস্থ চর্যাপদ একাডেমির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনাড়ম্বর পরিবেশে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্সের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি, পরিচালক শিউলী মজুমদার, সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিক, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউস সুপ্ত, তথ্য পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, আর্কাইভ ও নথিব্যবস্থাপনা পরিচালক আল আমিন সানি, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি, মারিয়া, আশরাফ, সাইদ ও ফারুক প্রমুখ।

সভাপ্রধান নুরুন্নাহার মুন্নি বলেন, গেলো ৫ বছর আমরা অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করেছি। সারাদেশের মানুষ আমাদের কর্মযজ্ঞকে স্বাগত জানিয়েছে। মানুষের ভালোবাসা ছিলো বলেই নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যেতে সক্ষম হয়েছি।

Model Hospital
চর্যাপদ একাডেমির মহাপরিচালক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, মাত্র ৫ বছরে প্রায় ১১ হাজার পাঠকের হাতে বই উপহার তুলে দিয়েছে চর্যাপদ একাডেমি। চল্লিশের অধিক দেশবরেণ্য গুণীজনের হাতে তুলে দিয়েছে প্রুস্কার। এই সফলতা আমাদের একার নয়, মানুষের ভালোবাসা না থাকলে আমরা এতদূর এগোতে পারতাম না। সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা থাকার কারণেই আজ আমরা ৬ষ্ঠ বর্ষে পদাপর্ণের অনুষ্ঠানটি উদযাপন করতে পারছি।

আলোচনা সভার পাশাপাশি বই উপহার কর্মসূচি ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।