বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা 

তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে : তানভীর হুদা

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪, ৯:১২ এম
তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে : তানভীর হুদা
মতলব উত্তর উপজেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) বিকালে উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের রাঢ়ীকান্দী দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন, সাবেক তথ্য ও সংস্থাপন প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নুরুল হুদার জ্যেষ্ঠ পুত্র, চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তানভীর হুদা।
এসময় তানভীর হুদা বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বন্যার্ত মানুষের সব দুঃখ দুর্দশা মনিটরিং করছেন। কোথায় কী পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী দিতে হবে তার নির্দেশনা দিচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বন্যার্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি মানুষের কল্যাণের রাজনীতি করে।
তিনি আরো বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফসল আজকের পরিবর্তন। ছাত্র জনতার আন্দোলন এবং আত্মদানের কারণে মাত্র কয়েকদিনের মাথায় সৈরাচারের পতন ঘটে। এই জালেম সরকার এতোই অত্যাচারী ছিলো যে ‘আয়নাঘর’ বানিয়ে বছরের পর বছর মানুষকে গুম করে রাখতো। শেখ হাসিনা কতটুকু অমানবিক হলে লোমহর্ষক আয়নাঘর বানাতে পারে। মানুষ কথা বলতে পারতো না। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই অত্যাচার নেমে আসতো। সাংবাদিক ভাইয়েরা তারাও স্বাধীনভাবে লিখতে পারতো না। টকশোতে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে একটু কথা বললে রাতেই তার কাছে ফোন যেত। দুর্নীতির কথা আর কী বলবো, শেখ হাসিনার পিয়ন যদি ৪০০ কোটি টাকার মালিক হন, তাহলে তার বস কত কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে চিন্তা করে দেখেন।
উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন মজুমদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল মান্নান লস্কর, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইয়াছিন মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবু সৈয়দ গোলাম রাব্বানী মামুন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমু, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক হালিম সরকার রিংকু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মানিক ফরাজী, উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ, উপজেলা মৎসজীবী দলের সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, গজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মামুন মনির, সাবেক যুগ্ন সম্পাদক বদিউজ্জামান সজিব, পৌর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন মোল্লা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা হান্নান লস্কর, বোরহান ফরাজী, নুরুল হুদা সরকার বাপ্পী, উপজেলা তাতীদলের সাধারন সম্পাদক হানিফ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন, পৌর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জমির হোসেন, ইসলামবাদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আল আমিন, উপজেলা মৎসজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন কুটুম, পৌর তাতীদলের সভাপতি আবুল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদল নেতা ঈসা খান, রাজিব, জিলানী খান, আরিফুল ইসলাম বাবু প্রধান, নাদিম ভুইয়া, সাইফুল ইসলাম, শরীফ হোসেনসহ উপজেলা বিএনপি,  যুবদল, ছাত্রদল ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।