শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তির চোরাইকৃত গরুর গোবর, মলমুত্র, সিসি ক্যামেরার কল্যাণে নাঙ্গলকোটে উদ্ধার

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৯:৪৫ পিএম
শাহরাস্তির চোরাইকৃত গরুর গোবর, মলমুত্র, সিসি ক্যামেরার কল্যাণে নাঙ্গলকোটে উদ্ধার
শাহরাস্তির চোরাইকৃত ১১ টি গরু কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা এলাকায় সঙ্গবদ্ধ ডাকাত দলের জিম্মা থেকে  উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার দিনভর নাটকীয় অভিযানে একদল স্হানীয় যুবক ও পুলিশের সহযোগিতায় এবং গরুর গোবর,মলমুত্র, সিসি ক্যামেরার কল্যাণে ওই চোরাইকৃত গরু সে রাতে উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়।
গরুর মালিক হৃদয় জানান, ভোররাতেই আমি আমার বন্ধুবান্ধব নিয়ে মটরবাইকযোগে রওনা করে বিভিন্ন বাজারে সিসি ক্যামেরায় তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতদলের গাড়ীর গতিবিধি রেকি করে পথ চলি। এক পর্যায়ে কোন নিশানা না পেয়ে গরুর গোবর ও মলমুত্রের চিহ্ন সনাক্ত করে পথ চলতে থাকি। অবশেষে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা বাজারে এসে থামি।সেখানে এসে ভোরবেলায় স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে বিভিন্ন তথ্যউপাত্ত সংগ্রহকরা শুরু করি।
আগের সংবাদটি পড়ুন…
একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই উপজেলার বাঙ্গড্ডা গ্রামে গরুচোর চক্রের সিন্ডিকেট রয়েছে বলে জানান। ওই হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জনপ্রতিনিধি আমাদেরকে সহযোগিতা করতে শুরু করে।
অবশেষে ওই চোরচক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে গরুর অবস্থান নিশ্চিত হয়ে স্হানীয় নেতৃবৃন্দের সহায়তা শেষে বুধবার রাতে হারিয়ে যাওয়া সকল গরু উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩ টায়  পৌরসভার শাহরাস্তি ব্রিকস এর পরিত্যক্ত অফিস কক্ষ এলাকার পাশে স্থাপিত গো-খামারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওই সময় শাহরাস্তির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজির পুত্র হৃদয়ের গরুর খামারে একটি দূর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়।
ওই সময় পাহারাদারকে জিম্মি করে ডাকাত দল ১১ টি গরু লুণ্ঠন করে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা ।
জানা গেছে, গত ৮ বছর ধরে নীলফামারী জেলার বালাপাড়া গ্রামের জীতেন রায় ও তার স্ত্রী মিষ্টি রানী রায় এ খামারে দেখভালের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ওই হিসেবে সে রাতে খামারের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল এ দম্পতি। জীতেন ও তার স্ত্রী জানান, রাত আনুমান তিনটার পূর্বে একদল ডাকাত তাদের  আবাসন গৃহে এসে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে সেখানে রক্ষিত মূল্যবান কাগজপত্র তছনছ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে ওই পরিবারকে জিম্মি করে বেদম প্রহার শুরু  করে।
একপর্যায়ে ডাকাত দল গো-খামারে রক্ষিত ১১ টি গরু দুটি পিকাপএ উত্তোলন করে কেটে পড়ে।পরে পাহারাদার জীতেনের স্ত্রী মিষ্টি রানী দাঁত দিয়ে কামড়িয়ে বাধন খুলে চিৎকার দিলে পার্শ্ববর্তী বাড়ির  রওশন আরা ছুটে আসেন। তিনি এসে দেখেন, গরু বোঝাই পিকআপ দুটি ওই এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সকালে পৌর শহরের স্থানীয় মেহের কালিবাড়ি বাজারে হাজী মহিনউদ্দিন শপিং কমপ্লেক্সের সিসি ক্যামেরায় ওই রাতে দুটি পিকআপ চলে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়ে।
পরে মালিক হৃদয়কে এই সংবাদ দিলে সে এসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ স্থানীয়দের বিষয়টি অবহিত করলে গরু খোঁজার জন্য বেরিয়ে পড়েন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে গরুর খামার মালিক হৃদয় গণমাধ্যমকে জানান, আল্লাহর নিকট অশেষ শুকরিয়া। শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন বিশেষ করে নির্বাহী অফিসার মো: ইয়াসির আরাফাত, পুলিশের এএসপি (কচুয়া সার্কেল) রিজওয়ান সাঈদ জিকু, শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, ওসি তদন্ত মর্ম সিংহ ত্রিপুরাসহ সংশ্লিষ্ট অফিসার ও সঙ্গীও ফোর্স  , গণমাধ্যম কর্মী, শাহরাস্তি উপজেলা  যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজী, চেয়ারম্যানের জামাতা শাহাদাত হোসেন (রাজু) বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ তার চাচা মো: মনির হোসেন মিন্টু, মোঃ সোহেল রানা, ইউনুস গাজী, অপু, তুষার, সজীব, তুহিন, রবিন, রিফাত, শফিউদ্দিন, মোশাররফ,কাদের, আসলাম, সুমন, ফয়সাল, আনিসসহ অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব এবং  নাঙ্গলকোট  উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দের সহায়তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital