ফরিদগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গনসমাবেশে
আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধার চেতনার ব্যবসা দিয়েই ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে : জাফরী
ফরিদগঞ্জে গনসমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসাইন জাফরী।
আওয়ামীলীগ মুক্তিযোদ্ধার চেতনার ব্যবসা দিয়েই ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছে। কেউ তাদের মতের দ্বিমত হলেই রাজাকার বানিয়েছে। আগামীতে কেউ রাজাকার বললে তার মূখ চেপে ধরবেন। ২৪ এর স্বাধীন দেশে আমরা সকলেই মুক্তিযোদ্ধা। এযুদ্ধে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজাকার হয়ে গেছে। তারা যদি আবারও দেশে কোন ধরনের ভেদাভেদ সৃষ্টি করতে চায় তাদের কঠিন ভাবে জবাব দিতে আমরা সর্বদাই প্রস্তুত। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে গনসমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এসকল কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, আমরা কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সর্বদাই আন্দোলন করে যাচ্ছি।

রোববার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফরিদগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবু মুসার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাসুদ বিল্লাহ পরিচালনা গনসমাবেশে শুরু হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক আল্লামা মকবুল হোসেন, চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন, সাবেক সভাপতি মাওলানা নুরুল আমিন, জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা বেলাল হোসাইন রাজি, সহ প্রচার সম্পাদক এইচ এম নিজাম উদ্দিন, ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল্লাহ, ছাত্র আন্দোলন উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিনহাজুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ইসলাম আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি জানান, জুলাইয়ের সকল গণহত্যার তদন্ত করে দ্রুত বিচার করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে বিগত ১৬ বছরে দুর্নীতিকৃত ও বিদেশে পাচার হওয়া সকল টাকা দেশে এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করতে হবে। পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলাম বিরোধী সকল বিষয় বাতিল করে নতুনভাবে শিক্ষাব্যবস্থা পূণর্গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে অবাধ, সুষ্ঠ গ্রহনযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বাস্তবায়নে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি চালু করতে হবে।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে শাসন ব্যবস্থায় ইসলামী ভাবধারা বজায় রেখে বাংলাদেশকে একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়ার দাবি করেন।








