শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নারী ছিনতাই কারীসহ ৫ জন আটক

ফরিদগঞ্জে যাত্রীবাহী মাইক্রো ছিনতাই

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৫২ পিএম
ফরিদগঞ্জে যাত্রীবাহী মাইক্রো ছিনতাই

ফরিদগঞ্জের যাত্রীবাহী মাইক্রো চালকসহ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাই কারীরা যাত্রীদের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে।

চালককে জিম্মি করে মোবাইল ফোনে দুই লাখ টাকা নিয়েছে।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে একজন নারীসহ ৫ জন ছিনতাই কারীকে আটক করে ফরিদগঞ্জ থানা হেফাজতে নিয়েছে।

পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার সন্ধ্যায় আটককৃতদের দাউদকান্দি থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

Model Hospital

মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ ঘটিকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে দাউদকান্দি থানার উত্তর নছুরুউদ্দি (গোয়ালমারী) এলাকার ফিলিং স্টেশনের সামনে।

অভিযোগে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার বড়ালি গ্রামের আমিন মিজি’র ছেলে নূরনবী মিজি (২৮)। তিনি রেন্ট-এ (রেজিঃ নং ঢাকা মেট্রো চ-১৫-৬৪৩৪) কার চালক। সোমবার রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকায় ফরিদগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড থেকে ৩ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার শাহজালাল এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। দাউদকান্দির ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ ঘটিকায় ৫টি মোটর সাইকেলযোগে ৫/৬ জন গাড়ির গতিরোধ করে ও ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা চালককে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে অস্ত্র মুখে মারধর করতঃ রাস্তার পাশে বেঁধে রাখে।

এরপর, যাত্রীদের কাছে থাকা সমূদয় টাকা, স্বর্ণালংকার ও তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে এয়ারপোর্ট সড়কের কোনো এক স্থানে নামিয়ে রাস্তার পাশে বেঁধে কয়েকজন ছিনতাইকারী মোটর সাইকেলযোগে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। এরপর, চালক ও যাত্রীদেরকে তুলে গাড়ীতে বসায়। ছিনতাই কারীদের মধ্যে মিন্টু তালুকদার চালকের আসনে বসে ঢাকা এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পথে চালকের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। চালক নূরনবী নিজের মোবাইল ফোন থেকে আত্মীয়-স্বজনকে জানান।

এতে, তার আত্মীয়-স্বজন ছিনতাই কারীদের দেওয়া বিভিন্ন ফোন নম্বরে বিকাশে প্রায় ২ লাখ টাকা পাঠায়। অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের ইয়ারপোর্ট অভিমুখে রাস্তার পাশে নামিয়ে চালককে জিম্মি করে দ্রুত গাড়ী টেনে গাজীপুর জেলার দিকে চলে রওয়ানা দেয়। এক পর্যায়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ নূরনবীর মোবাইল ফোনের লোকশেন সংগ্রহ করে।

এদিকে, গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানাধীন উলুখোলা বাজারস্থ উলুখোলা ব্রীজের ওপর এশিয়ান হাইওয়ে গাজীপুর টু কাঞ্চনপুর ব্রীজমুখী রাস্তার ওপর উত্তর-পশ্চিম কোনে অবস্থান নেয়। গাড়ীতে থাকা ছিনতাই কারীরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তাদের কিছু সহযোগী ওই স্থানে নেয়। ওই সময় গাড়ীতে ছিনতাই কারীদের সহযোগী আমায়রা ইসলাম প্রঃ আয়েশা আক্তার (২৭)কে আলাপ করতে দেখেন।

এর এক পর্যায়ে, ফরিদগঞ্জ থেকে অপর একটি হাইজ গাড়ীযোগে ৮/৯ জন ড্রাইভার  ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিনতাই হওয়া গাড়ীটি দেখে ধাওয়া দেয়। মিন্টু গাড়ীটি চালনা করে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করে। সকলের ডাক-চিৎকার শুনে হাইওয়ে রাস্তায় চলাচলরত বিভিন্ন চালক তাদের গাড়ী দ্বারা বেরিকেড দিয়ে গাড়িটি থামাতে সক্ষম হন। বিভিন্ন চালক ও আশেপাশের লোকজন গাড়ীতে থাকা ছিনতাই কারীদের আটক ও উত্তেজিত জনতা মারধর করে। ওই সময় কালীগঞ্জ থানাধীন উলুখোলা ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ছিনতাই কারীদেরকে সোপর্দ করা হয়।

এদিকে, ফরিদগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরীর আলোকে পুলিশের সহায়তায় গাড়ীসহ ৫ ছিনতাই কারী চাঁদপুর জেলার, কচুয়া থানার রাজারামপুর গ্রামের দৌলত মিয়া ছেলে মোঃ জুলহাস (৩০), নদুমদা গ্রামের ইলিয়াছ এর ছেলে রাসেল (২৫), সদর থানার পূর্ব বিষ্ণুদি গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে মিন্টু তালুকদার (৩৭), মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার নয়াকান্দি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মনির হোসেন (২৮) ও মুন্সিগঞ্জ জেলার থানার ছোট কেওয়ার, ঢালী বাড়ী’র আসাদ ঢালীর কন্যা আমায়রা ইসলাম প্রকাশ্য আয়েশা আক্তার (২৭)কে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ বুধবার ভোর ৫ ঘটিকায় আটক করে ফরিদগঞ্জ থানা হেফাজতে রাখেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৫ ঘটিকায় তাদেরকে গাড়ী আটকের স্থান দাউদকান্দি থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হানিফ সরকার থানায় সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান ও অভিযুক্তদের আটকের তথ্য স্বীকার করে বলেন, মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকলকে দাউদকান্দি থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চালক নূরনবীকে ছিনতাই কারীরা পিটিয়েছে। তাকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।  

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital