বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:০৬ পিএম
হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি জননেতা শেখ মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন স্বাধীন বাংলাদেশের বয়স ৫৩ বছর পার হওয়ার পর গত ৫ আগস্ট আবার স্বাধীন দেশের নাগরিক কি কারণে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করল,কেনইবা এই গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হল এটা আমাদেরকে ভাবতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামোর চিত্র আপনি একটি পরিবার থেকে নিতে পারেন।
পরিবারের কর্তা ব্যক্তি সারাদিন শ্রম ঘাম মেহনত কষ্ট  করে, উদ্দেশ্য একটাই তার পরিবারের সদস্যদেরকে ভালো রাখা সাধ্যানুযায়ী তাদের চাহিদা পূরণ করা। পুরো রাষ্ট্র একটা পরিবার।সরকারে যারা থাকে তারা ওই পরিবারের কর্তা ব্যক্তির ন্যায় তাদের কাজ দেশের নাগরিকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেয়া তাদের সুবিধা অসুবিধা সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে তা সমাধান করা।
বর্তমান রাষ্ট্র ব্যবস্থা এরকম হয়েছে যে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা অধিষ্ঠিত থাকে রাষ্ট্রের সকল সুযোগ-সুবিধা তারাই ভোগ করে থাকে দেশের নাগরিক শুধু খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রার্থনা করা ছাড়া আর উপায় থাকে না।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সাংবিধানিক সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে বিশেষ করে নির্বাচন ব্যবস্থা কে সমূলে শেষ করে দিয়েছে তাই নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কার সর্বপ্রথম প্রয়োজন কারণ নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কার না আসলে গতানুগত নির্বাচন পদ্ধতি দ্বারা স্বাধীন ভোটাধিকার ব্যবস্থা প্রবর্তন সম্ভব হবে না। কালো টাকা পেশী শক্তির কাছে আবারও সেই নাগরিক অধিকার মাটিতে চাপা পড়ে যাবে। তাই আমাদের দাবি আগামী জাতীয় নির্বাচন সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হোক।
এতে কয়েকটি সুবিধা ভোটার বা নাগরিকগ ভোগ করতে পারবে।এক  প্রত্যেক ভোটের সঠিক মূল্যায়ন হবে দ্বিতীয় এলাকায় রাজনৈতিক দানব তৈরি হবে না তৃতীয়ত কালো টাকা পেশী শক্তি প্রয়োগ বন্ধ হবে। কমবেশি সকল রাজনৈতিক দল সংসদে কথা বলার সুযোগ থাকবে বিধায় স্বৈরশাসক তৈরির পথ বন্ধ হবে। তাই (P R) বা সংখ্যাানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি এখন সময়ের দাবি, এই দাবি গণদাবীতে পরিণত করতে হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাজিগঞ্জ উপজেলার আওতাধীন ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন শাখা আয়োজিত গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ জনপ্রিয় ওয়ায়েজ নওমুসলিম ডাঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজী নলছিটি, মোহাম্মদ কামাল গাজী প্রচার ও দাওয়াহ  সম্পাদক  ইসলামী আন্দোলনে হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখা ,ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার  সভাপতি মোহাম্মদ আখতার হোসেন( নিপু)উপজেলা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ইমরান মাজহারী উপজেলা ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন ,উপজেলা ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আক্তার হোসেন আকন আরো বক্তব্য রাখেন রাজারগাঁও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মুফতি মাজহারুল ইসলাম রাজি  মাওলানা নজরুল ইসলাম সামছী মোহতামিম পূর্ব রাজারগাঁও তাবিজুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাওলানা কুতুবুদ্দীন রাব্বানী সভাপতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১২ নং দ্বাদশ গ্রাম ইউনিয়ন আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মিয়াজী উপজেলার অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ মানিক জেলা শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব হোসেন ভূঁইয়া ২ নং বাকিলা ইউনিয়নের ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মাহবুব দ্বাদশ ইউনিয়ন শাখা সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুক সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।