বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৯:১২ পিএম
ফরিদগঞ্জে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ফরিদগঞ্জে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার শোল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এই বৃত্তি পরীক্ষা। এতে অংশগ্রহণ করে ২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয়ের (৩য়-৮ম) শ্রেণির প্রায় ৫ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী।
এতে প্রায় ৫০ জন হল পরিদর্শক ও শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া সার্বক্ষণিক তদারকিতে ছিলেন কেন্দ্র সচিব, সহকারী কেন্দ্র-সচিবসহ বিভাগীয় পরিচালকরা।
আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন শোল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আরিফুর রহমান।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন ইমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ হাসান মিঠু, দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাবের হোসেন, ত্রান ও পুনর্বাসন সম্পাদক সানজিদ হোসেন হৃদয়, ক্রীড়া সম্পাদক ইয়াছিন গাজী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন পাটোয়ারী, সদস্য সাইফুল ইসলাম, দিদার হোসেন, সাকিল হোসেন, হোসেন, হাছান ভুঁইয়া, রাকিবুল ইসলাম,  আব্দুল, শিপন হোসেনসহ সদস্যরা।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আলমগীর হোসেন বলেন, ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বার্ষিক বৃত্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী এ বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অভিভাবক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সবার সহযোগিতায় প্রতিবারের ন্যায় এবারও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
ফরিদগঞ্জে ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ হাসান মিঠু বলেন, আমাদের সংগঠন শিক্ষা ক্ষেত্রে কাজ করার পাশাপাশি, সামাজিক অবক্ষয়, মাদক বিরোধী কার্যক্রম এবং হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছি।
সংগঠনের সভাপতি শাহাবুদ্দিন ইমন বলেন,  জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি নৈতিকতা সম্পন্ন জাতি গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপের জন্যই আমাদের সংগঠন কাজ করছি। আমাদের সংগঠন সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।
শোল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. আরিফুর রহমান বলেন, সংগঠন কার্যক্রমে আমি মুগ্ধ। তারা প্রতিবছর শিক্ষা বৃত্তি, শিক্ষা উপকরন বিতরন, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে কাজরে আসছে, তাদের সফলতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য, ‘ভাওয়াল নবজাগরণ সেবা সংঘ’ ২০২২ সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রতিবছর বৃত্তি পরীক্ষাসহ নানা শিক্ষামূলক কর্মসূচি, দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকা, রমজানে অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরনসহ  আয়োজন করে আসছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital