শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চর্যাপদ একাডেমির ফ্যামিলি ডে ও বাঁশিসন্ধ্যা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৯ পিএম
চর্যাপদ একাডেমির ফ্যামিলি ডে ও বাঁশিসন্ধ্যা

কবিতা আড্ডা, গান, হাওয়াইয়ান গিটার ও বাঁশির মনোমুগ্ধকর সুরের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি ফ্যামিলি ডে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরস্থ গ্রান্ডসিটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপার সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি শিউলী মজুমদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাংস্কৃতিক অনুরাগী রোটারিয়ান শরীফ মাহমুদ ফেরদাউস শাহীন।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সংগীত নিকেতনের অধ্যক্ষ স্বপন সেনগুপ্ত।স্বাগত বক্তব্য রাখেন চর্যাপদ একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি।

Model Hospital

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট শ্যাম সুন্দর রায়, অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকি।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী, চর্যাপদ একাডেমির উপ-মহাপরিচালক দুখাই মুহাম্মাদ, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরাদউস সুপ্ত, তথ্য পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, প্রচার ও প্রকাশনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, আর্কাইভ ও নথিব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-আমিন সানি, অর্থ অডিটর আমিন উদ্দিন, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কামরুন্নাহার বিউটি, সদস্য সচিব জয়ন্তী ভৌমিক, প্রধান সমন্বয়কারী আইরিন সুলতানা লিমা।

গিটার পরিবেশন করেন চাঁদপুরের খ্যাতিমান হাওয়াইয়ান গিটারশিল্পী দিলীপ কুমার ঘোষ এবং ঐশী ঘোষ। বাঁশি বাজান চাঁদপুরের জনপ্রিয় বংশিবাদক বেলাল শেখ, কবিতা আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী আবু বকর সিদ্দিক ও প্রাপ্তি, সংগীত পরিবেশন করেন শ্রাবন্তী মজুমদার ও রবীন্দ্রনাথ মজুমদার।

চর্যাপদ একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি বলেন, ২য় বারের মতো ফ্যামিলি ডে উদযাপনের করেছে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। এবারের অনুষ্ঠানে বই উপহার কর্মসূচি ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে চারজনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার পেয়েছেন তানিয়া আক্তার, খাদিজা আক্তার মুন্নি, শ্রবাবন্তী মজুদার ও জয়ন্তী ভৌমিক।

অনুষ্ঠানে জেলার সুধিসমাজ, শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিদের সরব উপস্থিতি ছিলো। উপস্থিত সকলের জন্যে নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।