শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রয়োজনিয় কাগজপত্রে আগুন

ফরিদগঞ্জে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষের তালা ভাঙ্গল র্দুবৃত্তরা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:১৩ পিএম
ফরিদগঞ্জে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষের তালা ভাঙ্গল র্দুবৃত্তরা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের আবিদুর রেজা পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি সুমন পালের সামনেই র্দুবৃত্তরা প্রধান শিক্ষকের তালাবদ্ধ রুম ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। কিন্তু সুমন পাল তাদের কোন ধরনের বাঁধা না দিয়ে ভবন ত্যাগ করেন।

দুর্বৃত্তরা প্রধান শিক্ষকের রুম থেকে কাগজপত্র ও ক্রেস্ট নিয়ে বিদ্যালয়ের পাশেই আগুন জ¦ালিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় শিক্ষক কর্মচারিরা তাদের বাঁধা না দিলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি রহস্যজনক।

বৃহষ্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ফরিদগঞ্জ আবিদুর রেজা পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে এই ঘটনা ঘটে।

Model Hospital

জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পরবর্তি সময়ে বিদ্যালয়ের সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজলকে ফ্যাসিস্টের দোসর আখ্যায়িত দিয়ে তার কক্ষে তালা মেরে দেয় বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীরা। সেই থেকে অদ্যবদি ওই কক্ষটি তালাবদ্ধ ছিলো।

বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি রুহুল আমিন জানান, আজকে জোহরের নামাজের আগে হঠাৎ করেই তিনজন যুবক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের তালাবদ্ধ কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। আমি তা দেখে অফিস সহকারি সুমন পালকে ডেকে ঘটাস্থলে নিয়ে দেখাই। তিনি দেখে ভবন ত্যাগ করেন। আমি ভয়ে কিছু বলতে পারিনি।

এসময় তারা কিছু কাগজপত্র, ক্রেস্ট ও বই বস্তায় করে নিয়ে যায়। এরপর তারা বিদ্যালয়ের পুর্ব পাশের ভবনের পিছণে নদীর পাড়ে আগুণ ধরিয়ে দিয়ে চলে যায়। কারা এই কাজ করেছে জানতে চাইলে বলেন, আমি তাদের দেখলে চিনবো, তাদের নাম জানিনা।

বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি সুমন পালকে র্দুবৃত্তদের বাঁধা না দেওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তোর দেননি। তাদের বাঁধা না দিয়ে কি তাহলে আপনি সহযোগিতা করেছেন? এ প্রশ্নেরও কোন উত্তর দেননি।

বিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক জানান, তারা ক্লাস রুমে ছিলেন ঘটনার সময়। পরে এসব ঘটনা শুনেন। এদিকে এতবড় একটি ঘটনা ঘটলেও কেউই ওই দুর্বৃত্তদের আটক করতে চেষ্টা করেনি, যা রহস্যজনক।

দুর্বৃত্তরা যখন প্রধান শিক্ষকের রুমের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করেন তখন, তারুন্য উৎসবের ফুটবল টুনামেন্টর উল্লাস পর্বের খেলার প্রস্তুতি চলছিল। অফিস কক্ষ থেকে কোন ধরনের চিৎকার চেচামেচির কোন শব্দ পাননি মাঠে অবস্থানরতরা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা আক্তার জানান, ঘটনার সময় দক্ষিণ পাশের ভবনে কাজ করছিলেন। অফিস সহকারি এসে আমাকে জানায়। তাৎক্ষনিক দোড়েঁ গিয়ে প্রধান শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করে প্রতিটি আলমিরা খোলা এবং জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পাই।

এসময় ইউএনওর সাথে কথা বলে এই বিষয়ে থানায় জিডি করেছি। আমার ধারনা এই ঘটনাটি পরিকল্পিত।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি, ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষককে থানায় জিডি করতে বলেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital