বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারি নিবন্ধন পেল “চাঁদপুর জেলা শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৭ পিএম
সরকারি নিবন্ধন পেল “চাঁদপুর জেলা শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা
সামাজিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকারি নিবন্ধন পেল “চাঁদপুর জেলা শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা”।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছামূলক সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠান (রেজিষ্ট্রশন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ (নম্বর ৪৬) এর ৪ (৩) ধারার অধীনে এই নিবন্ধন প্রদান করা হয়।
চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপপরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ‘চাঁদ/৭৬৮/২০২৫’ নং স্মারকে উক্ত সংগঠনকে এ সরকারি নিবন্ধন সনদ পত্র প্রদান করেন।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে ‘এক ভূবন এক ভাষা, চাই সার্বজনীন ইশারা ভাষা’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুর জেলা প্রসাশন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এর উদ্যোগে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস- ২০২৫ উদযাপন করা হয়ে।
উক্ত দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি মোঃ শরীফ উদ্দিন পাটোয়ারী এবং সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ এর হাতে এ সনদপত্র তুলে দেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান।
চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোস্তাফিজুর রহমান।
এসময় প্রধান অতিথি ‘বাংলা ইশারা দিবস’ উপলক্ষে বাক শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি ভেবেছিলাম সারাদেশে প্রতিটি জেলায় এই রকম প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু দেখলাম যে না। মাত্র ৮ টি উপজেলায় এই প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাহলে এই দিক থেকে আমরা চাঁদপুরবাসী খুবই ভাগ্যবান।
তিনি আরো বলেন, এই বাক শ্রবন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা আজকে সারাবিশ্বে অনেক ভালো কিছু করতেছে। তাঁদের অনেক মেধা রয়েছে, অনেক বুদ্ধি রয়েছে। এরাও চাইলে সমাজে এবং দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে পারে। বাক শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জীবন মান উন্নয়নে ও তাদেরকে প্রশিক্ষিত করতে রয়েছে শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম। শিক্ষকদের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি।
চাঁদপুর জেলা বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা: হ্যাপি আক্তার এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম এর পরিবর্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজিগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা।
চাঁদপুর জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র নন্দীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও আরো বক্তব্য রাখেন- নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সৈয়দা বদরুন্নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজন কুমার দাস, চাঁদপুর পৌরসভার সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা চন্দ্রনাথ ঘোষ।
পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম ‘চাঁদপুর জেলা বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা’ নামক এই বেসরকারি নতুন প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনপত্র তুলে দেয়া হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital