শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫, ৮:০২ পিএম
কচুয়ায় আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানা

কচুয়ায় জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরা।

কচুয়া পৌরসভাধীন কোয়া-চাঁদপুর গ্রামে অবস্থিত কোলাহোল মুক্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জামিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ ও এতিমখানা।

অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। ২০১৮ সালে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. খোরশেদ আলম কোম্পানি দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে এ মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনামের সাথে বাংলাদেশ হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহন করে কৃতিত্ব অর্জন করে আসছে।

জানা যায়, ১১জন তরুন দক্ষ শিক্ষক দ্বারা মাদ্রাসাটিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। নূরানী,নাজেরা,হিফ্জ বিভাগ,বাংলা-ইংরেজিসহ বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যার ফলে বিভিন্ন এলাকার শিক্ষার্থীরা এ এতিমখানা পড়াশোনা করে আসেছ। ওই মাদ্রাসায় বর্তমানে ১৫০জন শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছেন এবং তারমধ্যে ৩০জন শিক্ষার্থী এতিম রয়েছে। এতিমদের ফ্রি পড়াশুনা ও সার্বিক ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০জন শিক্ষার্থী হাফেজ হয়ে বের হয়েছেন। বর্তমানে এবছরে কচুয়া কওমী মাদ্রাসার আওতায় ২১জন শিক্ষার্থী কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।

Model Hospital

মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি ইউসুফ আব্দুল্লাহ ও সিনিয়র শিক্ষক হাফেজ মোশারফ হোসেন জানান, কোয়া-চাঁদপুর গ্রামের অধিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ¦ খোরশেদ আলম এ এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

একমাত্র দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্যই এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের হিফ্জ কোরআন বিভাগ, নাজেরা বিভাগ, প্রি-ক্যাডেট, মক্তব বিভাগসহ আধুনিক শিক্ষার জন্য বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। ভবিষ্যতে জেলা কিংবা দেশের মধ্যে সেরা দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital