বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা একপক্ষীয়ভাবে গ্রহণ করার কোন যৌক্তিকতা নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫, ৯:০৪ পিএম
রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা একপক্ষীয়ভাবে গ্রহণ করার কোন যৌক্তিকতা নেই

ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কুমিল্লা বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

হাইমচর উপজেলার ৪নং নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা বাজারে ইসলামী আন্দোলনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে ঈশানবালা বাজার মসজিদ মাঠে গণ ইফতারের এই আয়োজন করে  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৪নং নীলকমল ইউনিয়ন শাখা।
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কুমিল্লা বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক জননেতা শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে কোন দলীয় সরকার ক্ষমতাই নেই, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ চালাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদী নয়। সংস্কার ও ঞঅপরাধীদের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে এটাই আমাদের চাহিদা। তার পূর্বে কোন দল এ কথা ভাবার সুযোগ নেই যে তারাই ক্ষমতায় আসবে এবং রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তারাই ভোগ করবে । রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা একপক্ষীয়ভাবে গ্রহণ করার কোন যৌক্তিকতা নেই।
ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে যাদের অবদান রয়েছে তাঁরা সবাই সমান ভাবে রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবে। এদেশের মানুষ বারবার ক্ষমতার পট-পরিবর্তন করেছে কারা রাষ্ট্রের জন্য নিরাপদ মানুষ আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে তা প্রমাণ করবে।
তিনি আরো বলেন এখন আমাদের মূল কাজ হল জনগণের সুবিধা ও অসুবিধায় তাদের পাশে থাকা। যেখানে অন্যহীন বস্ত্রহীন এবং ঈদ করার মত যাদের ব্যবস্থা নেই তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং চিকিৎসাহীন ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হবে। দল-মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সুখে দুঃখে পাশে থাকাই হলো আমাদের সবচাইতে বড় কাজ। আমাদের রাজনীতি হলো মানুষের কল্যাণের জন্য ।
অতএব কল্যাণের রাজনীতি পরিহার করে ভোগের রাজনীতিতে আসার কোন সুযোগ নেই। তাই এখন থেকেই প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে জনগণের খোঁজখবর নিতে হবে এবং সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে
ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক সহ প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক এইচ.এম নিজাম, উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ছফিউল্লাহ্ সেক্রেটারী ফখরুল ইসলাম শিমুল, নীলকমল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনির শিকদার, ঈশানবালা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ এম এ মান্নাত, ঈশান বালা ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা কামাল উদ্দিন জাফরী।
৪নং নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা বাজার ৪ নং ওয়ার্ড ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আখতার হোসেন ও ইউনিয়ন যুব আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital