বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এলাকাবাসী প্রতিবাদ সমাবেশ ও থানায় অভিযোগ

কচুয়ার সমাজকর্মী শরীফুল ইসলাম মিঠুকে জড়িয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫, ৯:৪৯ পিএম
কচুয়ার সমাজকর্মী শরীফুল ইসলাম মিঠুকে জড়িয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার

কচুয়ার সমাজসেবক শরীফুল ইসলাম মিঠুকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ন স্ট্যাটাসের ঘটনায় এলাকাসীর আয়োজনে প্রতিবাদ সমাবেশ ও থানায় অভিযোগ।

সামাজিক যোগাযোগ ও ফেসবুকের মাধ্যমে কচুয়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক শরীফুল ইসলাম মিঠুকে জড়িয়ে ফেক আইডি খুলে ছবি ও অডিও রেকর্ড এডিট করে সম্মানহানীর অভিযোগে কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।

শনিবার কচুয়া থানা ভুক্তভোগী শরীফুল ইসলাম মিঠু বাদী হয়ে সুবিদপুর গ্রামের ওমর ফারুক,তার ছেলে ফরহাদ হোসেন ও রিয়াদ হোসেনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করে শরীফুল ইসলাম মিঠু জানান,আমি একজন ব্যবসায়ী,ব্যবসার পাশাপাশি আমি পূর্বে থেকে এলাকায় সামাজিক ভাবে মসজিদ, এতিমখানা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এলাকায় উন্নয়ন মূলক কাজ করে আসছি। আমাকে সামাজিক ভাবে কাজ করতে বাধাগ্রস্থ করার জন্য বিবাদী রিয়াদ, ফরহাদ হোসেন ও ফারুক হোসেন প্রকাশ্যে আমাকে বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি প্রদান করেন।

গত ১৬ মে বিবাদী রিয়াদ হোসেন প্রকাশ্যে আমাকে সম্মান হানী করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে ক্ষতি সাধন করবে বলে অভিযোগের প্রথম সাক্ষীকে মুঠোফোনে জানান।

Model Hospital

ওই দিনে SOMAIYA AKTER, MD JOY HOSSAIN, মুজিব সৈনিক নামে সহ একাধিক ফেসবুক পেইজ থেকে আমার একটি অডিও কন্ঠ ইডিট করে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক এর মাধ্যম ছড়িয়ে সম্মানহানী করে। বিবাদীগনদের পূর্বের কথা এবং হুমকির সহিত সম্পূর্ণ ভাবে মিল পাওয়া যায়।

তিনি আরো বলেন, আমাকে ও আমার পরিবারকে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সাধন করবে বিবাদীগনরা প্রতিনিয়ত হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। আমি বর্তমানে এলাকায় আমি আমার পরিবারের লোকজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতা রয়েছি।

সমাবেশ বক্তাগন জানান,আমাদের এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শরীফুল মিঠু এলাকায় মসজিদ,মাদ্রসা,এতিমখানা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত রয়েছেন। সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শরীফুল ইসলাম মিঠুর মোবাইলের কথোপকথন এডিট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। তারা মিঠুর সম্মানহানী করতে এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে ঈশ্বানিত হয়ে তার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডায় লিপ্ত হয়।

মিঠুর বিরুদ্ধে এ সব কুরুচিপূর্ন স্ট্যাটাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।

এ সময় বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ,বিএনপি নেতা মো. কবির হোসেন সেলিম,অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মজিবুল হক,পৌর ছাত্র দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম ও সমাজ সেবক জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital