শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

শিল্প সাহিত্যের ছোট কাগজ শব্দছায়া’র আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫, ৮:১৪ পিএম
শিল্প সাহিত্যের ছোট কাগজ শব্দছায়া’র আত্মপ্রকাশ

চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত শিল্প সাহিত্যের ছোট কাগজ শব্দছায়া আত্মপ্রকাশ হয়েছে। ৩০ মে এ সাহিত্য ছোট কাগজটির সম্পাদনা শেষ করে এর কপি প্রকাশিত হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মী সজীব খানের সম্পাদনায় সাহিত্যের এ ছোট কাগজটি দীর্ঘদিন একুশ নামে প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ পথ চলার পর, পাঠক ও লেখকদের পরামর্শক্রমে একুশ নামটি পরিবর্তন করা হয়েছে।

সাহিত্যের এ ছোট কাগজটি এখন থেকে নিয়মিত শব্দছায়া নামে প্রকাশিত হবে, এজন্য সকল লেখক ও শুভানুধ্যায়ীদের পূর্বের মত সার্বিকভাবে সহযোগীতা করার জন্য সম্পাদনা পর্ষদ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

সাহিত্যের ছোট কাগজে এ সংখ্যায় প্রচ্ছদ অলংকন করেছেন গণমাধ্যমকর্মী, লেখক গীতিকার কবির হোসেন মিজি, সহকারী সম্পাদনায় ছিলেন সাহিত্য সমাজের সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, আলেয়া বেগম মুন্নী, অক্ষর বিন্যাস ও মুদ্রণ করা হয়েছে বাবুরহাট ডিজিটাল কম্পিউটার সেন্টার থেকে।

Model Hospital

শিল্প সাহিত্যের ছোট কাগজে এ সংখ্যায় যাদের লেখা প্রকাশিত হয়েছে কাজী শাহাদাৎ, কাদের পলাশ, মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন, পিযুষ কান্তি বড়ুয়া, কবির হোসেন মিজি, মিজানুর রহমান রানা, এম আর হারুন, রোজী সাজ্জাত, জিএম মহসিন, জান্নাতুল মাওয়া, ইয়াসমিন আক্তার, ইমাম হোসাইন, অ্যাডঃ হান্নান কাজী, রাবেয়া আক্তার, খতেজা মাহবুব, চাঁদপুরে যাদের জন্মছিল (সংগৃহিত), ইসরাত জাহান কেয়া, উজ্জ্বল হোসেন, বিভিন্ন বিষয়ে চিত্রাংকন করেছেন লতা আক্তার, খাদিজা আক্তার, লামিয়া আক্তার, সুরমা আক্তার।

শিল্প সাহিত্যের ছোট কাগজ শব্দছায়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকল লেখক, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিগত দিনের মত আগামীতে লেখা বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।