শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

মাঘের বৃষ্টিতে ডুবেছে হাইমচরের কৃষকের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ২:০৮ পিএম
মাঘের বৃষ্টিতে ডুবেছে হাইমচরের কৃষকের স্বপ্ন
মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি : বৃষ্টি দেখে বর্ষাকাল মনে হলেও ঋতুতে এখন শীতকাল। মাঘের শেষে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হাইমচরের জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি)বাদ জুমা থেকে টানা বৃষ্টি ও ধমকা হওয়া,কোথাও তা মুষলধারে আবার কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি। এতে শীতের তীব্রতা যেমন বেড়েছে তেমনি জনজীবনে নেমেছে অস্বস্তি।
শীতের মধ্যে অসময়ে ১ দিনের টানা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে হাইমচরের কৃষকরা। বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে বোরো ধানের বীজতলা,সয়াবিনের বীজতলা,হুমকির মুখে শীতকালীন সবজি ও ফসল।
নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় সয়াবিনের বীজতলা,আলু খেতে ছত্রাকের আক্রমণ ও শীতকালীন সবজি। তবে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, বৃষ্টির কারনে তার পরিমাণ নিরুপন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন হাইমচরের কৃষি বিভাগ।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঘ মাসে সাধারণত বৃষ্টি হয় না ধরে নিয়ে অনেক কৃষক বোরো মৌসুমের জন্য সয়াবিন,বোরো ধানের বীজতলা করেছেন অপেক্ষাকৃত নিচু জমিতে।বৃষ্টির পানিতে যার প্রায় আশিভাগ তলিয়ে গেছে।
ফলে বোরো আবাদে বিলম্বিত হবে এবং খরচ বেড়ে যাবে। আর দেরিতে আবাদের কারণে আশানুরুপ ফলনও হবে না।
এতে করে লোকসানের মুখে পড়বে চাষিরা।
হাইমচর উপজেলার কৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, রবি ফসল- গম, শরিষা, মসুর ডাল, শীতকালীন সবজি- মরিচ, লাল শাক, বেগুন, মূলা, পাতা কফি, ফুল কপি ও ওল কপির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কারণ হঠাৎ বৃষ্টির পানি সহ্য করতে পারে না এসব ফসল।
হাইমচরে পূর্ব চর কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক নজু মল্লিক,মিজান সর্দার বলেন,আমি ছয় খন্ডে ৪০ কেজি সয়াবিন বীজ ফেলেছিলাম।তার চার খন্ডই তলিয়ে গেছে।গামলা দিয়ে পানি সেচে বীজতলা বাঁচানোর চেষ্টা করছি।
উপজেলা কৃষিবিদ দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, গত ১ দিনের টানা বৃষ্টিতে শীতকালীন ফসল ও সবজি,বীজতলা ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি ও তীব্র শীতের সাথে শৈত্য প্রবাহের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ নিরুপন করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টির কারণে এ বছর রবি আবাদ বিলম্বিত হতে পারে এবং এ কারণে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।