বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর এলজিইডির প্রকৌশলী মুঃ ইসতিয়াক হাসানের যোগদান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫, ৩:৪২ পিএম
চাঁদপুর এলজিইডির প্রকৌশলী মুঃ ইসতিয়াক হাসানের যোগদান
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) চাঁদপুরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মুঃ ইসতিয়াক হাসান যোগদান করেছে।

তিনি গত (১ জুলাই) চাঁদপুর এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন।

মুঃ ইসতিয়াক হাসান ১৯৮৭ সালে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ নূর ইসলাম এবং মাতার নাম হোসনে আরা হাসি।

তিনি ১৯৯১ সালে ঢাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ২০০৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাশ করেন। ২০০৯ সালে বুয়েট থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

Model Hospital

তিনি ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডির) সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। ১১ বছরেরও অধিককালের কর্মজীবনে তিনি সহকারী প্রকৌশলী, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কর্মজীবনে তিনি কুমিল্লা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এসময় দায়িত্ব পালনে তিনি অত্যন্ত সাফল্যের সাথে এলজিইডির সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মুঃ ইসতিয়াক হাসানের সহধর্মিনী ইতি খানুম একজন আদর্শ সুগৃহিণী। তিনি এক পুত্র সন্তানের জনক। এ জেলায় কর্মকালীন সময়ে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।