বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চান নুরুজ্জামান, চিকিৎসার জন্য তার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৪২ পিএম
স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চান নুরুজ্জামান, চিকিৎসার জন্য তার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন
মানুষ মানুষের জন্যে জীবন জীবনের জন্যে বাবা-মায়ের দেয়া নাম তার মোঃ নুরুজ্জামান (৬৪) পিতা-মরহুম সুলতান আহমেদ, মাতা-মরহুমা রঞ্জনের নেছা। তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সাহাপুর বাগান বাড়ির বাসিন্দা।
মোঃ নুরুজ্জামান একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। আর্থিক কারণে তিনি ডিপ্লোমা শেষে আর লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি। তাই ঐ সময়ই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন কারণে কর্মজীবনেও আর্থিক সচ্ছলতার মুখ দেখেননি তিনি। তার ২ ছেলে ১ মেয়ে। মেয়েকে পাত্রস্থ করেছেন তিনি।
বর্তমানে জীবনের তাগিদে তিনি ঢাকায় বেসরকারি স্টীল ট্রাস্ট সলিউশন কোম্পানী লিমিটেড নামের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের উত্তরার রাজউক কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত আছেন।
১৯৭৮ সালে তিনি প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঐ সময় প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ছিলো ভাগ্যের ব্যাপার। তার ভালো ফলাফলে এলাকার মানুষ সহ আমরাও দলবেঁধে তার বাড়িতে দেখতে গিয়েছিলাম তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ তিনি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।
তিনি বিগত ১১ আগস্ট (সোমবার) ঢাকার উত্তরায় কাজ শেষে টঙ্গী যাবার উদ্দেশ্যে বাসে উঠতে গিয়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচের দিকের অংশের হাড় ভেঙ্গে ফেলেন। দূর্ঘটনায় পর পরই তাকে উত্তরার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া শেষে চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকার শেরেবাংলাস্থ পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসক তার পায়ের অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত অপারেশন করার ব্যবস্থা করেন। তার আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। ইতিমধ্যে আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় ও ধারদেনা করে অপারেশন ও চিকিৎসা চলছে তার। ইতিমধ্যে চিকিৎসায় বাবদ তার ৫০ হাজারের অধিক পরিমাণে টাকা খরচ হয়েছে।
অপারেশনের স্থান প্রতিদিন ড্রেসিং করতে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার পায়ের হাঁটুর হাড় ঠিক হতে আরও দুই সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে। এদিকে চিকিৎসা বাবদ প্রতিদিন যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে তাতে চিকিৎসক জানিয়েছেন তার সুস্থতার জন্য আরও কমপক্ষে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার প্রয়োজন হবে। কিন্তু অসহায় নুরুজ্জামানের হাতে কোন নগদ টাকা নেই।
এমতাবস্থায় অসুস্থ নুরুজ্জামান সুস্থ হয়ে কাজে ফিরে যেতে চিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায্যের জন্য সমাজের দানবীর ও বিত্তশালী এবং বন্ধু-শুভার্থীদের নিকট আর্থিক সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়েছেন। কেউ সহায়তা করতে চাইলে নিচে তার বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন।
মোঃ নুরুজ্জামান -এর বিকাশ নম্বর : 01712535789 (০১৭১২ ৫৩৫৭৮৯)

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital