বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে অবাদে মাটি উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৪ পিএম
চাঁদপুরে প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে অবাদে মাটি উত্তোলন

শাহমাহমুদপুরে কৃষি জমিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালি উত্তোলন করে ভরাটের ছবিটি গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দিনে তোলা।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে কৃষি জমির মাটি লুটে নিচ্ছে একটি মহল। প্রশাসনের বাধায় দিনের পরিবর্তে রাতের আধারে চলছে অবৈধ ড্রেজারে ফসলী জমি খনন, পাচার করছে মাটি, ধ্বংস করছে ফসলের মাঠ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ কেয়ার সড়কের দক্ষিণ দিকে ভড়ঙ্গারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে পশ্চিম লোধেরগাঁও গ্রামের কৃষি নির্ভর বিল থেকে গত ১৫ থেকে ২০ দিন যাবত অবৈধ মিনি ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি বিক্রি করছেন পার্শ্ববর্তী হাওলাদার বাড়ির মোঃ সাঈদি। এতে আশপাশের কৃষি জমিগুলো এখন হুমকির মুখে। যদিও বিলে বর্ষার পানি থাকায় এখন কোন ক্ষতির পরিমাণ বুঝা না গেলেও পানি কমে গেলে তা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে বলে ধারণা করছেন জমির মালিকরা। তবে সাঈদির মালিকানাধীন কৃষি জমির মাটি কেটে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশনের পাশে দুইটি জমি ভরাট করা হয়েছে।
এমনকি উক্ত জমি থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি এনে আরো কয়েকটা জমিও ভরাট করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীরা আরো বলেন, সাঈদি হাওলাদারের কৃষি জমির আশপাশের জমির মালিকগভয়ে কিছু বলতে পারেন নি।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে চাঁদপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান ভুক্তভোগী জমির মালিকেরা। গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদকর্মীরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবগত করেন। পরে এদিন বিকেলে এসিল্যান্ড এর নির্দেশে ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে ড্রেজারের কয়েকটি পাইপ খুলে ফেলেন। এর কিছুক্ষণ পর তারা সেই পাইপগুলো লাগিয়ে আবারো ড্রেজার চালু করেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে জানালে আবারো সোহাগ ও শরীফ নামে ভূমি অফিসের লোক এসে তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে কয়েকটি পাইপ বিনষ্ট করে চলে যান।
কিন্তু এতেও টনক নড়েনি কারো। ড্রেজার মালিক মমিন ও সহযোগিতাকারী ফরিদের অদৃশ্য শক্তিতে এদিন রাতে পূণরায় ড্রেজার মেশিন চালু করে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। এরপর গত শুক্র, শনি ও রবিবার প্রশাসনের বাধায় দিনে মেশিন বন্ধ রেখে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত অবাদে মাটি কেটে নিয়েছেন। এই তিনদিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন জামিউল হিকমা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পী দত্তকে অবগত করলে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। কিন্তু প্রশাসনের জোড়ালো ভূমিকা না থাকায় ড্রেজার মেশিনটি ঐ জমিতে রেখে অবাদে বালি উত্তোলন করে তাদের স্বার্থ আদায় করে নিয়ে চলছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.এন জামিউল হিকমা বলেন, ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তবে খুব সহসাই বিষয়টি দৃশ্যমান হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital