শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

বইমেলায় আসছে সিয়াম হোসেন খানের কাব্যগ্রন্থ ‘ইথাফুল’

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০৯ পিএম
বইমেলায় আসছে সিয়াম হোসেন খানের কাব্যগ্রন্থ ‘ইথাফুল’

অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী ও তরুণ কবি ও লেখক মোঃ সিয়াম হোসেন খানের কাব্যগ্রন্থ ‘‘ইথাফুল’।

প্রেম, বিরহ, সুখ-দুঃখের টানাপোড়েন, ভালোবাসা আর বিচ্ছেদের অনুভূতি। সব মিলিয়ে পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো কবিতাগুলোই স্থান পেয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে। গ্রন্থটি কবির রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

বইটি প্রকাশ করবে প্রহেলিকা প্রকাশন। এতে মোট ৫৫ টা কবিতা আছে। ৬৪ পৃষ্ঠার বইয়ের প্রত্যেকটা কবিতা ১০ থেকে ২০ লাইন করে, অন্ত্যমিলসহ।শেষ ছয়টি কবিতা হৃদিতা ছদ্মনামে লিখিত কবির সহযোগিনীর।

কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে কবি জানান, “আমার কাছে মনে হয় জীবনকে খুব গভীরভাবে উপলব্ধি করতে তিনটা বিষয় খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ: দারিদ্র্য,প্রেম,বিদ্রোহ। তিনটার দর্শন ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।জীবনের সার্বজনীন অর্থ প্রেমকে উপলব্ধি করে নিজেকে অনুসন্ধানের মাধ্যমে সত্যকে খুঁজে বের করা।আর সেই সত্য নির্দ্বিধায় প্রকাশের সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম কবিতা।কবিতা হচ্ছে কবিদের নীরব আত্মচিৎকার। কবির নির্বাক অনুভূতিগুলোর নির্যাসমিশ্রিত উপজাতই হলো কবিতা। প্রেম-ভালোবাসা, বিরহ-বেদনা, অপেক্ষা-উপেক্ষা, আক্ষেপ সবকিছুই প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ মাধ্যম এই কবিতা। যে কবিতা ভালোবাসে না, বোধ করি সে পৃথিবীর সর্বোচ্চ কঠিন হৃদয়ের অধিকারী। ।

Model Hospital

কবি আরও জানান, ‘ইথাফুল’ শুধু একটি বই নয়; একটি স্বপ্নের নাম, একগুচ্ছ আবেগ-অনুভূতির ডাকনাম। প্রেমাস্পদের সাথে কাটানো মধুর সময়, দূরে থাকার অসহনীয় যন্ত্রণা আর অজানা আশঙ্কার অনুভূতিগুলো শব্দে বর্ণিত হয়েছে কবিতাগুলোয়। এই অনুভূতিগুলো যদি একজন পাঠকের হৃদয়কেও স্পর্শ করতে পারে তাহলে সেটাই আমার একান্ত সার্থকতা। “

পাঠকদের উদ্দেশ্যে কবি বলেন, কবিতার বই প্রকাশ করা হয়তো খুবই সহজ। কয়েকটা লাইন লিখে কবিতা বলে বই করে ফেললেই হলো। তবে যে কবিতা পাঠকের হৃদয়কে স্পর্শ করবে সেগুলোই সময়ের ¯ স্রোতে টিকে থাকবে।’ আমার পাঠকরাই আমার অনুপ্রেরণা। ছোট ছোট কবিতা লেখার মধ্য দিয়েই যাত্রা শুরু। প্রিয়তমার অনুপ্রেরণা আর ফেসবুকের পাঠকরা যখন ভালোবাসা দেওয়া শুরু করলেন, তখন বই আকারে কবিতাগুলো প্রকাশ করার সাহস পেলাম। এবারও পাঠকদের ভালোবাসা পাব বলে আশা করছি।’ বইমেলায় আসুন, বই পড়ুন, বই কিনুন এবং প্রিয়জনকে বই উপহার দিন।‘ইথাফুল’ সবার মন জয় করতে সার্থক হোক, এটাই প্রত্যাশা।”

উল্লেখ্য, বইমেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে মোড়ক উন্মোচনের পর থেকে রকমারি ডট কমে অর্ডার করে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাবে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।