রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় আল-বারাকা ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষার অনুষ্ঠিত

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৬ পিএম
কচুয়ায় আল-বারাকা ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষার অনুষ্ঠিত

কচুয়ায় আল-বারাকা ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন, আল বারাকাত আইডিয়াল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বারাকাত বাবুল।

কচুয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে আল-বারাকা ট্রাস্টের আয়োজনে বৃত্তি পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার আল বারাকাত আইডিয়াল একাডেমীতে সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে ১টা পর্যন্ত দুটি শিফটে বৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম শিফটে প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী ও দ্বিতীয় শিফটে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণীর পর্যন্ত উপজেলার ২৯টি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের মোট ৫১১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এসময় আল বারাকাত আইডিয়াল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বারাকাত বাবুল পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রক হিসেবে আল বারাকাত আইডিয়াল একাডেমীর পরিচালক সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর,ব্যবস্থাপনা প্রিন্সিপাল ইনচার্জ মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।

Model Hospital

আল বারাকাত আইডিয়াল একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বারাকাত বাবুল বলেন,এ প্রথম এ ট্রাস্টের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে,ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। তবে বৃত্তি পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বিকাশ মনোনিবেশ করা এজন্য ভবিষ্যতেও মেধা বিকাশ যাচাই করার জন্য প্রকল্প চালু থাকবে।
‎

পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রক সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আবু জাফর বলেন,উপজেলা পর্যায়ে এমন বৃহৎ পরিসরের বৃত্তি আয়োজন নজরকাড়া উদ্যোগ। গ্রামীণ জনপদের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে আবুল বারাকাত ট্রাস্টের এই আয়োজন একটি মাইলফলক। এই বৃত্তি পরীক্ষা এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। আমরা চাই এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।