শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আইনের লোক পরিচয়ে কচুয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি: নগদ  টাকা ও  স্বর্ণালঙ্কার লুট

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
আইনের লোক পরিচয়ে কচুয়ায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি: নগদ  টাকা ও  স্বর্ণালঙ্কার লুট

কচুয়ার খিলমেহের গ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের আহাজারি এবং এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে মালামাল।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামের শিকারি বাড়িতে আইনের লোক পরিচয় দিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মুখোশধারী একদল ডাকাত গভীর রাতে জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে অজ্ঞাত ১৫-১৭ জনের একটি মুখোশধারী ডাকাত দল নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে খিলমেহের গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হারুন শিকারীর বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা প্রথমে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং মারধর করে জিম্মি করে রাখে। ডাকাতরা ঘরে থাকা আলমারি ও অন্যান্য স্থানে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং ৩টি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।

ডাকাতদের হামলায় আহত হন গৃহকর্তা হারুন শিকারী, স্ত্রী মোরশিদা বেগম এবং পুত্রবধু তুলী।

এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও বেঁধে রাখা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন পুত্রবধূ তুলী আক্তার, মুন্নী আক্তার এবং নাতনি হামিদা আক্তার। ডাকাতরা তাদের মারধর করে ঘরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়।

Model Hospital

ভুক্তভোগী হারুন শিকারী ও তার স্ত্রী মোরশিদা বেগম জানান, ডাকাতরা নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে হঠাৎ করে ঘরে ঢুকে পড়ে। পরে সবাইকে বেঁধে রেখে আলমারি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। তারা জানান, পরিবারের এক সদস্য প্রবাস থেকে কিছু টাকা পাঠিয়েছিলেন, যা ঘরে রাখা ছিল। সেই টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কারও ডাকাতরা নিয়ে গেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রবিবার সকালে কচুয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital