বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শরীফ উল্লাহ হাই স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার ওবাইদুর রহমান টিপু

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
শরীফ উল্লাহ হাই স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার ওবাইদুর রহমান টিপু
চাঁদপুরের‌ মতলব উত্তর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শরীফ উল্লাহ হাই স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং এডহক কমিটির সভাপতি হিসাবে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার ওবাইদুর রহমান টিপু।
এই জন্য তিনি চাঁদপুর -২ আসনের মাননীয় এমপি জনাব ড জালাল উদ্দিন ভাইকে ধন্যবাদ জানান।
২০ মে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মোহাম্মদ নুরুন নবী আলম সাক্ষরিত কমিটিতে সদস্য সচিব পদাধিকার বলে অধ্যক্ষ, অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য মোঃ বশির আহমেদ ও শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য মোঃ ইসহাক মিয়া।
ব্যারিস্টার টিপু অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র এবং একই সাথে প্রতিষ্ঠাতা ও  দাতা পরিবারের উত্তরাধিকার সদস্য। বিশিষ্ট  শিক্ষানুরাগী  মরহুম মনসুর আহমেদ সরকার ( সাবেক প্রেসিডেন্ট ( চেয়ারম্যান ) ২ নং ষাটনল ইউনিয়ন ) ১৯৪৩ সালে বৃটিশ  আমলে এই প্রতিষ্ঠানটি  তাহার পিতার নামকরণে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
ব্যারিস্টার টিপু মতলব উত্তরের সুগন্ধি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শরীফ উল্লাহ সরকার বাড়িতে জন্ম গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য যে , এই শরীফ উল্লাহ পরিবারের পক্ষ থেকে অত্র স্কুল ও কলেজ সহ প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা, খেলার মাঠ, কলেরা হাসপাতাল , দীঘি এবং লঞ্চ  ঘাটের মতো জনহিতকর কাজে এককভাবে প্রায় দেড়শো বিঘা সম্পত্তি দলিলমুলে দান করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটিকে কলেজে উন্নীত করতে সর্বাত্মক দায়িত্ব পালন করেছেন এই পরিবারেরই কৃতি সন্তান  ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক যুগ্ম সচিব জনাব দেলোয়ার হোসেন।
৯০ এর দশকে ষাটনল ইউনিয়নের এই পরিবারের সর্বশেষ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ছিলেন শরীফ উল্লাহ সরকারের কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম দিল মোহাম্মদ সরকার। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল ( অব) মফিদুল ইসলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর উপ -প্রধান রিয়ার এডমিরাল (মেজর জেনারেল সমমর্যাদা ) মো. মুসা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি তাসনিম বিনতে শেইখ এই পরিবারের গর্বিত সন্তান। তাছাড়া সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব) সামছুল হক এই পরিবারের জামাতা।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শরীফ উল্লাহ পরিবারের অবদান অপরিসীম। ব্যারিস্টার টিপু শহীদ পরিবারের একজন সদস্য। তার চার চাচা মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন এবং একজন শহীদ হন। যথাক্রমে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহেদুল হক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন।
এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার টিপু অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে সমাজের সকল শ্রেণীপেশার সচেতন ব্যাক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital