বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে সাংবাদিক হামজাকে কুপিয়ে জখম, স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১:৪৫ পিএম
শাহরাস্তিতে সাংবাদিক হামজাকে কুপিয়ে জখম, স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ
চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় পারিবারিক সম্পত্তি বিরোধকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক রাফিউ হাসান হামজার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার পশ্চিম নিজমেহার এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইসমাইল দারোগা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় সাংবাদিক রাফিউ হাসান হামজা আহত হওয়ার পাশাপাশি তার স্ত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সম্পত্তি ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সাংবাদিক রাফিউ হাসান হামজার পরিবারের সঙ্গে তার চাচা জাহাঙ্গীর আলম ও চাচাতো ভাই শিমুলের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন অভিযুক্তরা সাংবাদিকের বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে কাঁঠাল পাড়তে শুরু করেন। এতে বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, প্রথমে গালিগালাজের পর চাচা জাহাঙ্গীর আলম পেছন থেকে রাফিউ হাসান হামজাকে চেপে ধরেন। এ সময় চাচাতো ভাই শিমুল ধারালো দা দিয়ে তাকে আঘাত করেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গেলে তার ডান হাতের বুড়ো আঙুলে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং পেটের ডান পাশেও আঘাতপ্রাপ্ত হন। তার চিৎকার শুনে স্ত্রী এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় এবং কাপড় টেনে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
আহত সাংবাদিক ও তার স্ত্রী শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক রাফিউ হাসান হামজা বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
আহত সাংবাদিক রাফিউ হাসান হামজা বলেন, আমার চাচা জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছেন। চাচাতো ভাই শিমুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে পূর্বে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি, যা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। আজকের হামলাটি ছিল পরিকল্পিত। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে আমি মনে করি। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুল আলম বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে অভিযোগে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম ও শিমুলের বিরুদ্ধে হামলা, মারধর ও শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ আনা হলেও তাদের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের ব্যবহৃত নম্বর বন্ধ থাকায় কিংবা কল রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital