বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মহামায়ায় পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:৫১ পিএম
মহামায়ায় পিএমকের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৫ শতাধিক মানুষ
চাঁদপুরের মহামায়ায় পল্লী মঙ্গল কর্মসূচী (পিএমকে)-এর উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রায় ৫ শতাধিক অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার  (১১ জুন) মহামায়া শাখা কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে নারী, পুরুষ, শিশু ও প্রবীণদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, স্বাস্থ্যপরামর্শ, ওষুধ এবং চক্ষুসেবা প্রদান করা হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে মেডিসিন, গাইনি, শিশু, চর্ম ও যৌনরোগ, সার্জারি এবং চক্ষু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেন।
সেবাদানকারী চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন ডা. লিমন আহমেদ, ডা. রোসল রানা, ডা. ইবরাহিম, ডা. জাহিদ ও ডা. আব্দুল্লাহ আল মারুফ। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন মহামায়া এরিয়ার সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আবু সাঈদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম, হিসাবরক্ষক আলতাব হোসেনসহ সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উদ্বোধনী বক্তব্যে মো. আবু সাঈদ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক মানুষ এখনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় পিএমকে নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মহামায়া  এ ক্যাম্পে রোগীদের প্রেসক্রিপশন, প্রয়োজনীয় ওষুধ, চক্ষু রোগীদের পাওয়ারের চশমা ও চোখের ড্রপ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
শাখা ব্যবস্থাপক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিএমকে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, মা ও শিশু কল্যাণ, চক্ষুচিকিৎসা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের পাশে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের জীবনমান উন্নয়নই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা এক নারী উপকারভোগী বলেন, ভালো চিকিৎসক দেখানো ও ওষুধ কেনা অনেক সময় তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ ও চক্ষুসেবা পেয়ে তারা উপকৃত হয়েছেন। এক প্রবীণ সেবাগ্রহীতা বলেন, একসঙ্গে এতজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পাওয়া তাদের জন্য বড় সুযোগ ছিল। চিকিৎসকেরা আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের কথা শুনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে উপকারভোগীরা পিএমকের প্রধান নির্বাহী কামরুন্নাহার, উপ-প্রধান নির্বাহী দেওয়ান ফয়সাল এবং পিএমকে হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা ও হেড অব হেল্থ ডা. কাজী সুদীপ্তা কবিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, সমাজের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital