কচুয়া লুন্তি সপ্রাবি’র জায়গা সার্ভেয়ারের পরিমাপে সমস্যার অবসান
কচুয়া লুন্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের লুন্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমিদাতা ও স্থানীয়দের মাঝে বিরোধের সৃষ্টি দেখা দিয়েছে। এই নিয়ে গত মঙ্গলবার কচুয়ার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মাধ্যমে জমির পরিমাপ করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের সমস্যা অবসান ঘটে।

স্থানীয় লোকজন জানান, লুন্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩ শতাংশ জায়গা নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,জমিদাতা ও স্থানীয়দের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ ও অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের জায়গা জমিদাতা যারা রয়েছেন,কিছু জায়গায় তাদের দখলে রয়েছে।

জমি দাতাদের দাবি,বিদ্যালয়ের জায়গা চলাচলের রাস্তা,খালে রয়েছে এবং বিদ্যালয়ের সম্পত্তি নির্দিষ্ট জায়গায় আছে। বিদ্যালয়ের কোন জমি আমাদের দখলে নেই।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভিন বলেন, বিদ্যালয়ের ৩৩ শতাংশ জায়গা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমিদাতাদের সাথে আলোচনা করে আসছি। বিদ্যালয়ের জায়গায় বুঝে পাওয়ার জন্য আমি উপজেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। ভূমি অফিসের সরকারি সার্ভেয়ারের মাধ্যমে জায়গা পরিমাপ করা হয়েছে।

জমি দাতা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম সওদাগর বলেন, বিদ্যালয়ের জায়গা আমরা জমিদাতা কেউ দখল করেনি। বিদ্যালয়ের জায়গা বাউন্ডারি ও বাউন্ডারির বাইরে অন্য জায়গায় রয়েছে। এ নিয়ে আমরা একাধিক বার সরকারি বেসরকারের বিভিন্ন সার্ভেয়রের পরিমাপ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বুঝিয়ে দিয়েছি।
তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ের ৩৩শতাংশ জায়গার মধ্যে বাউন্ডারির ভিতরে ১৪. ৬২ শতাংশ জায়গা রয়েছে । বাউন্ডারি পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তায় ৩. ৭৯ শতাংশ জায়গা, দক্ষিণ পাশে খালে ২.৭৯ জায়গা এবং উত্তর পাশে বাড়ি চলাচলের রাস্তা ১. ১৭ শতাংশ জায়গা দখলে চলে যায়। আরো ১০ শতাংশ জায়গা বিদ্যালয় পশ্চিম পাশে পুকুরে রয়েছে। বিদ্যালয়ের কোন জায়গা জমিদাতারা দখল ও কোন আত্মসাৎ করেনি। এটা নিয়ে অযথাই একটি মহল আমরা যারা জমিদাতা রয়েছি, তাদেরকে হয়রানি করে আসছে।





