শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন রোনালদো

পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ডালাসে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্প্যানিশরা।

ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো। এই হারের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।

‎​ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে ঠাসা। অষ্টম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পায় স্পেন, তবে ওইয়ারজাবালের নেওয়া শট গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এর পরপরই আক্রমণে ওঠে পর্তুগাল; ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর একটি বুলেট গতির শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। ৩৮তম মিনিটে জোয়াও ফিলিক্সের হেড এবং ফিরতি বলে রোনালদোর শট চমৎকার দক্ষতায় প্রতিহত করে স্পেনের রক্ষণভাগকে রক্ষা করেন সিমন। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানে।

‎​দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের চিত্র অনেকটাই বদলে যায়। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে পর্তুগিজ ডিফেন্ডাররা, ফলে পর্তুগালের আক্রমণভাগ ছিল অনেকটাই নিষ্প্রভ। নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচটি যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায়, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন স্পেন। ফেররান তোরেসের পাস থেকে বল পেয়ে পর্তুগালের জালে জড়ান বদলি হিসেবে মাঠে নামা মিকেল মেরিনো। শেষ পর্যন্ত এই ১-০ ব্যবধান ধরে রেখেই শেষ আট নিশ্চিত করে স্প্যানিশরা।

Model Hospital

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।