রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের শীতকালীন ক্রীড়া উৎসব উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম
চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের শীতকালীন ক্রীড়া উৎসব উদ্বোধন

ক্যারাম খেলার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের শীতকালীন ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধন করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক।

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধন করেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক। এর আগে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কাদের পলাশের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তালহা জুবায়েরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, খেলাধুলা সুস্থ দেহ, সুন্দর মন ও শৃঙ্খলাবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ, সুন্দর ও মানবিক সমাজ গঠনে ক্রীড়াচর্চার বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকবান্ধব। আপনাদের সব কাজে আমরা পাশে থাকব। এমন একটি সুন্দর আয়োজনের জন্য চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। এই ক্রীড়া উৎসবের মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হোক-এটাই প্রত্যাশা করি।
এ সময় তিনি সংগঠনের কার্যালয় সম্প্রসারণসহ অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের কার্যকরী সদস্য সোহেল রুশদী, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শরীফ চৌধুরী এবং প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন কর্মকার (নিউজ-২৪), কোষাধ্যক্ষ নেয়ামত হোসেন (একুশে টিভি), প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক নজরুল ইসলাম আতিক (ডিবিসি নিউজ), আল ইমরান শোভন (চ্যানেল ২৪), রিয়াদ ফেরদৌস (জিটিভি), ইব্রাহিম রনি (যমুনা টিভি) ও সদস্য জিএম শাহীন।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম বাবু (মোহনা টিভি), শরীফুল ইসলাম (এনটিভি), এইচএম নিজাম (আনন্দ টিভি), সুজন আহমেদ (গ্লোবাল টিভি), মনিরুজ্জামান বাবলু (ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি), আতিকুর রহমান রুবেল (বাংলা টিভি), বিল্লাল ঢালী (এটিএন নিউজ), শরীফ আহমেদ (দেশ টিভি), আল আমিন ভূঁইয়া (৭১ টিভি), জাহিদুল ইসলাম (চ্যানেল-১), মোঃ মাসুদ বেপারী (মাসুম) (চ্যানেল-এস), রিয়াজ শাওন (চ্যানেল-৯) ও আজীবন সদস্য হাবিবুর রহমানসহ চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

চাঁদপুরে মা-ছেলের ই’সলা’ম ধ/র্ম গ্র’হ’ণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ এম
চাঁদপুরে মা-ছেলের ই’সলা’ম ধ/র্ম গ্র’হ’ণ

সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় ও সজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার এক মা ও তার ছেলে। ধর্ম পরিবর্তনের পর ইসলামি নাম ধারণ করে তারা জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। সম্প্রতি খায়রুন নাহার নামের ওই নারী তার নতুন ধর্মান্তরিত ছেলেকে নিয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন। এ সময় তাদের সামাজিক ও আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে আসেন মাসুদ বেপারী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি।

জানা গেছে, ইসলাম গ্রহণের আগে ওই নারীর নাম ছিলো সুমি সরকার এবং তার ছেলের নাম ছিলো রবিন সরকার। ধর্মান্তরের পর এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে মায়ের নাম রাখা হয়েছে খায়রুন নাহার এবং ছেলের নাম আব্দুল্লাহ। খায়রুন নাহার জানান, আগে তারা পরিবারের সঙ্গে ঢাকার ডেমরা এলাকায় বসবাস করতেন। তাদের স্থায়ী ঠিকানা মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। বর্তমানে স্বামী থেকে আলাদা হয়ে তিনি সন্তানকে নিয়ে চাঁদপুরে বসবাস করছেন।

নিজের অনুভূতির কথা প্রকাশ করে খায়রুন নাহার বলেন, “ইসলামের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই আমি স্বেচ্ছায় এই ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমার ছেলেও নিজের ইচ্ছায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেছে।” নতুন পরিচয়ে সন্তানকে নিয়ে স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপনের জন্য তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

এদিকে নতুন জীবন শুরু করা এই মা-ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবী মাসুদ বেপারী। তিনি আব্দুল্লাহর চিকিৎসার খরচ বহনসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আব্দুল্লাহকে আমি নিজের ভাইয়ের মতো এবং খায়রুন নাহারকে মায়ের মতো সম্মান করি। বিপদের দিনে তাদের পাশে থাকতে পেরে আমি আনন্দিত।”

Model Hospital

ধর্মান্তরের পর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, আবাসন ও আর্থিক অসচ্ছলতাজনিত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন এই মা-ছেলে। একটি নতুন ও অনিশ্চিত সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাদের স্বাভাবিক ও নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক সহযোগিতা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।